বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ দুজনকেই মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে ক্রিকেটারদের অনুশীলনে দেখা গেছে। নাজমুল হোসেন, পারভেজ হোসেন, ইয়াসির আলী, সাইফ হাসান, তৌহিদ হৃদয়, কামরুল ইসলাম ও তানভীর ইসলামদের জাতীয় লিগের দল থেকে ডেকে এনে অনুশীলন করানো হয়।

default-image

অনুশীলন শেষে মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্বাচকেরা নতুন ক্রিকেটারদের দেখতে চেয়েছেন। সামনে যেহেতু পাকিস্তানের সঙ্গে খেলা। কোচরাও কেউ নেই তাই কাজ করার ব্যাপারটা ছিল ওদের সঙ্গে। যেহেতু টি-টোয়েন্টি খেলা, সেভাবেই খেলতে হবে। সেভাবেই অনুশীলন করানোর চেষ্টা করছি।’

অনুশীলনে সালাউদ্দিনের উপস্থিতি নিয়ে মাহমুদ বলেন, ‘চেষ্টা করছি। যদিও সালাউদ্দিন আসবে কি না, এটা তাঁর ব্যাপার। আমরা বাংলাদেশ দলের অংশ হিসেবে তাঁকে চাই।’
দলের মধ্যে আরও পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন মাহমুদ, তবে সেটি এখনই নয়। এ মাসেই বাংলাদেশ দল পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলবে। পাকিস্তান সিরিজ শেষে নিউজিল্যান্ড সফরে যাবে। তাই দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে বড় কোনো পরিবর্তন হবে না। যদি বড় কোনো পরিবর্তন আসেও, সেটা আসবে আগামী জানুয়ারিতে।

মাহমুদ সবাইকে এ ব্যাপারে একটু ধৈর্য ধরতে বলেন, ‘তাড়াহুড়ো করলে কিছু হবে না। একটু ধৈর্য ধরতে হবে। যাঁরা এখানে অনুশীলন করছে, আমি মনে করি, তাঁদের সবারই সামর্থ্য আছে, বাইরে আরও কয়েকজন আছে। সেটি নিয়ে আস্তে আস্তে হয়তো এগোবে। হয়তো জানুয়ারিতে একটা পরিবর্তন আসতে পারে। এ সিরিজটা (পাকিস্তান) যেহেতু খুব কাছে, তাই বড় কোনো পরিবর্তন হবে না, তবে পরিবর্তন হবে।’

default-image

পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে চোটের কারণে সাকিব আল হাসানকে পাচ্ছে না বাংলাদেশ দল। চোটের কারণে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনও খেলছেন না। এই দুজনের জায়গায় নতুন নাম প্রত্যাশা করাই যায়। ওয়ানডে ও টেস্ট দল অনেকটা স্থিতিশীল থাকায় পরিবর্তন যা আসার আসবে টি-টোয়েন্টিতেই। মাহমুদ বলেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে আমরা কিছু নতুনদের সুযোগ দিতে পারি। কারণ, ওয়ানডেতে আমাদের দলটা স্থিতিশীল, টেস্টেও একটা ভালো দল আছে। তরুণ ছেলেদের এখানেই সুযোগ দেওয়ার একটা পরিকল্পনা রয়েছে। যেহেতু আমরা এ সংস্করণে ভালো খেলছি না। আমি বলছি না যে এই ছেলেরা খেললেই বাংলাদেশ জিতবে। কিন্তু ছেলেদের তৈরি করাটা বড় ব্যাপার। পর্যায়ক্রমে করতে হবে, ধীরে ধীরে। এটি সময়সাপেক্ষ ব্যাপার।’

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন