বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

পাকিস্তানকে বাংলাদেশ চাপে ফেলেছিল ম্যাচের প্রথম ভাগেই। টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে নেমে রিতু মনি ও নাহিদা আক্তারের তোপে ৪৯ রানেই ৫ উইকেট হারিয়েছিল পাকিস্তান। সপ্তম ওভারে আয়েশা জাফর রান-আউট হওয়ার পর ২৮ রানের জুটি গড়েছিলেন মুনিবা আলী ও অধিনায়ক জাভেরিয়া খান। রিতু ভাঙেন সে জুটি। ৪২ রানে দাঁড়িয়েই পাকিস্তান হারায় আরও ২ উইকেট—রিতুর বলে ওমাইমা ক্যাচ দেওয়ার পর জাভেরিয়া ধরা পড়েন নাহিদার বলে। নিজের পরের ওভারে এসে ইরাম জাভেদকেও ক্যাচ বানান নাহিদা।

পাকিস্তান ঘুরে দাঁড়ায় এরপরই। নিদা দার ও আলিয়া রিয়াজ ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে যোগ করেন ১৩৭ রান। ওয়ানডেতে ষষ্ঠ উইকেটে পাকিস্তানের মেয়েদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ জুটি এটিই। ৪৯তম ওভারে সালমা খাতুনের বলে এলবিডব্লু হওয়ার আগে ১১১ বলে ৮৭ রান করেন নিদা, ইনিংসে ৮ চারের সঙ্গে ছিল ২টি ছয়। আলিয়া অবশ্য ৮২ বলে ৬১ রান করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিতই ছিলেন।

রান তাড়ায় পঞ্চম ওভারে ১০ রানের মাথায় মুর্শিদা খাতুনকে হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ, আনাম আমিনের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে শারমিন আক্তার ও ফারজানা হক যোগ করেন ৭০ রান। নাশরা সান্ধুর বলে ৬৭ বলে ৩১ রান করা শারমিন এলবিডব্লু হলে ভাঙে সে জুটি। ফারজানা টিকে ছিলেন আরও কিছুক্ষণ, শেষ পর্যন্ত ৯০ বলে ৪৫ রান করে নিদার বলে ক্যাচ দিয়ে থামতে হয় তাঁকে। এর আগেই ফেরেন ২৬ বলে ৪ রান করা অধিনায়ক নিগার সুলতানা।

পঞ্চম উইকেটে রিতুর সঙ্গে রুমানার জুটিতে ওঠে ৬১ রান। ৪৫তম ওভারে ফাতিমা সানাকে টানা তিন চার মারার পর ফেরেন রিতু, ৩৭ বলে ৩৩ রান করে। পরের ওভারে ওমাইমার পরপর দুই বলে ফেরেন লতা মন্ডল ও ফাহিমা খাতুন। তবে ৪৮তম ওভারেই ম্যাচের দৃশ্যপট বদলে দেন সালমা ও রুমানা। রুমানা শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৪৪ বলে ৫০ রান করে, সালমা করেন ১৩ বলে ১৮ রান।

আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিলে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের দ্বাদশ আসর। আট দলের টুর্নামেন্টের পাঁচটি দল এরই মধ্যে নিশ্চিত হয়ে গেছে।

এবার ‘এ’ গ্রুপে চারটি ও ‘বি’ গ্রুপে পাঁচটি—মোট ৯টি দল অংশ নিচ্ছে বাছাইপর্বে। প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ তিনটি দল উঠবে সুপার সিক্স পর্বে। সুপার সিক্সের পয়েন্ট তালিকায় নিজ নিজ গ্রুপ থেকে ওঠা দুই দলের বিপক্ষে প্রথম রাউন্ডে পাওয়া পয়েন্টও যোগ হবে। সুপার সিক্স শেষে শীর্ষ তিনটি দল পাবে নিউজিল্যান্ডের টিকিট। বাংলাদেশের পরের ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে। ২৩ নভেম্বর একই মাঠে খেলবে বাংলাদেশ।

শুধু বিশ্বকাপই নয়, দলগুলো এই বাছাইপর্ব খেলেই আইডব্লুসির পরবর্তী চক্রে জায়গা করে নিতে পারে। সুপার সিক্স পর্বের পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষ পাঁচে থাকতে পারলেই সুযোগ মিলবে আইডব্লুসির তৃতীয় চক্রে। বাছাইপর্বের পাঁচ দল ছাড়াও এরই মধ্যে ২০২২ বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়া পাঁচ দল খেলবে ১০ দলের সেই চ্যাম্পিয়নশিপে।

আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিলে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের দ্বাদশ আসর। আট দলের টুর্নামেন্টের পাঁচটি দল এরই মধ্যে নিশ্চিত হয়ে গেছে। স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের সঙ্গী হয়েছে আইসিসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপের (আইডব্লুসি) আগের চক্রের শীর্ষ চার দল অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন