default-image

একটুর জন্য দুজন ‘মিতা’ হতে পারেননি। তবে নামে মিল আছে দারুণ। একজন ফিন, অন্যজন ফিঞ্চ। আজ বিশ্বকাপের প্রথম দিনে দারুণ দুই কীর্তি গড়লেন এই দুজন। একই ম্যাচে। প্রথম ইংলিশ পেসার হিসেবে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিকের কীর্তি গড়লেন স্টিভেন ফিন। সেটিও ইনিংসের একেবারে শেষ তিন বলে। ‘প্রথম’ এর কীর্তি গড়েছেন অ্যারন ফিঞ্চও। এই প্রথম বিশ্বকাপে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করলেন অস্ট্রেলিয়ার কেউ।
কার কীর্তিটা বড়, এ নিয়ে তর্ক হতে পারে। তবে দলীয় দিক দিয়ে ফিঞ্চই এগিয়ে। প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া যে ৯ উইকেটে ৩৪২ রানের বড় পুঁজি পেয়ে গেছে। ফিঞ্চের সেঞ্চুরির পাশাপাশি ফিফটি পেয়েছেন জর্জ বেইলি (৬৬) ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৫৫)। ৫ উইকেট ফিনের।
যেকোনো অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটারের কাছে অ্যালান টার্নার, জিওফ মার্শ, ডেভিড বুন, মার্ক ওয়াহ, ম্যাথু হেডেন বা অ্যাডাম গিলক্রিস্ট এক একটি স্বপ্নের নাম! অস্ট্রেলীয় ওপেনার ফিঞ্চের জন্য নামগুলো নিশ্চয়ই তাঁর স্বপ্নের নায়কের। কেন না সেই সাতজনও যে উদ্বোধন করতেন অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। সেই নায়কদের সঙ্গেও একই সঙ্গে এখন উচ্চারিত হবে তাঁর নাম। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বিশ্বকাপে ওপেন করতে নেমে সেঞ্চুরির সেই কীর্তির তালিকায় যুক্ত হলেন ফিঞ্চও।
এর মধ্যে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরিটা তো তাঁকে আলাদা করে দিচ্ছেই। তা ছাড়া বিশ্বকাপ অভিষেকেই সেঞ্চুরি করা মাত্র চতুর্থ অস্ট্রেলিয়ান তিনি। এত এত কীর্তি গড়লেন, অথচ আউট হয়ে ফিরতে পারতেন শূন্য রানেই! মিডউইকেটে তাঁর ক্যাচটা ফেলেছেন ক্রিস ওকস।
সেখান থেকে প্রাণ ফিরে পেয়ে আর পেছনে তাকাননি তিনি। ১২৮ বলে ১৩৫ রানের এক অনবদ্য ইনিংস উপহার দিয়ে যান। এক ডজন চার হাঁকিয়েছেন, সঙ্গে তিনটি ছক্কা।
এখন দেখা যাক, শেষ হাসি কার মুখে থাকে। এ প্রতিবেদন লেখার সময় মাত্রই ব্যাট করতে নামল ইংল্যান্ড।

বিজ্ঞাপন
খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন