বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তিনে নামা প্রান্তিকের সঙ্গে আইচ মোল্লার জুটিটাও খুব একটা বড় হয়নি। দুজন মিলে ১০.৩ ওভারে যোগ করেন ৩৮ রান। ৪১ বলে ২২ রান করে মোহাম্মদ আদিলের বলে ফেরেন আইচ। তবে মোহাম্মদ ফাহিম ও প্রান্তিকের জুটি এরপর অনেকটাই এগিয়ে নেয় বাংলাদেশকে। ৪৩তম ওভারের শেষ বলে সিঙ্গেল নেওয়ার পর হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে ফাহিম উঠে গেলে থামে ১১৭ রানের সে জুটি। ফাহিম ৫৮ রান করেন ৫৪ বলে, মারেন ৩টি করে চার ও ছক্কা।

অন্যদিকে প্রান্তিক অবশ্য থামেননি। ৬০ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেছিলেন চার মেরে, শতকও পূর্ণ করেছেন চার মেরেই। পরের অর্ধশতক পূর্ণ করতে মাত্র ৩৮ বল লেগেছে এই বাঁহাতির। অন্যদিকে প্রান্তিককে ভালো সঙ্গ দিয়েছেন ১৫ বলে ২১ রানের ক্যামিও খেলা মেহেরব হাসান। প্রান্তিক ১১২ বলে ১২৭ রান করে অপরাজিত ছিলেন, ১১টি চারের সঙ্গে ইনিংসে মেরেছেন একটি ছক্কা। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ শেষ ১০ ওভারে তুলেছে ৯৮ রান।

default-image

রান তাড়ায় শুরুতেই পেসার তানজিম হাসানের তোপে পড়ে নেপাল অনূর্ধ্ব-১৯। দ্বিতীয় ওভারে অর্জুন কুমালের পর অষ্টম ওভারে অধিনায়ক দেব খনাল—দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানই তানজিমের বলে বোল্ড হয়েছেন। নবম ওভারে বাংলাদেশ অধিনায়ক রকিবুল হাসানের শিকার সন্তোষ কার্কি। ২৩ রানেই ৩ উইকেট হারায় নেপাল।

বিবেক মগর ও অর্জুন সৌদ চাপে পড়া নেপালকে উদ্ধারের চেষ্টা করেছিলেন। তবে প্রায় ৯ ওভার ব্যাটিং করে ২৫ রানের বেশি তুলতে পারেননি দুজন। মেহেরবের বলে অর্জুন আউট হলে ভাঙে সে জুটি। এরপর বশির আহমেদকে নিয়ে একটু এগিয়েছিলেন মগর। তবে ৩১তম ওভারে ফেরেন দুজনই—নাইমুরের বলে ফিরতি ক্যাচ দেন ৮ রান করা বশির, ৬০ বলে ৩৩ রান করে রানআউট হন মগর।

default-image

৮১ রানে ৬ উইকেট হারানো নেপাল ছিল ১০০-এর নিচে অলআউট হয়ে যাওয়ার শঙ্কায়। তবে বিবেক যাদব ও গুলশান ঝা সেটা হতে দেননি। সপ্তম উইকেটে দুজন মিলে যোগ করেন ৬০ রান। সে জুটি ভাঙেন মেহেরব, ৩৪ বলে ২৬ রান করা যাদব দিয়েছেন ক্যাচ। নেপাল এরপর গুটিয়ে গেছে দ্রুতই, ২ রানের ব্যবধানে হারিয়েছে শেষ ৪ উইকেট। ৪২তম ওভারে পরপর দুই বলে আউট হন ঝা ও দুর্গেশ গুপ্ত। ২৮ বলে ৩৫ রান করে ঝা হয়েছেন রানআউট, রকিবুলের বলে বোল্ড হয়েছেন গুপ্ত। পরের ওভারে আদিলকে ফিরিয়ে কাজ শেষ করেছেন নাইমুর।

বাংলাদেশের পরের ম্যাচ আগামীকাল, একই ভেন্যুতে কুয়েতের বিপক্ষে। গ্রুপ বি-তে বাংলাদেশের আরেক প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা।

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন