বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান আশরাফ উদ্দিন আহমেদ চুন্নুও দ্রুত লিগ চান, ‘জুনে জাতীয় দলের ম্যাচের আগে যদি লিগের চার-পাঁচটি ম্যাচ আয়োজন করা যায়, সেটাও ভালো।’ তবে ব্রাদার্সের ম্যানেজার আমের খানের যুক্তি ভিন্ন, ‘ধরে নেওয়া যাক, লকডাউন প্রত্যাহার হলো ২১ এপ্রিলের পর। তারপর ক্লাবগুলোকে কয়েক দিন প্রস্তুতির সময় দিয়ে লিগ শুরু করেও তো লাভ নেই!’ তাঁর পরামর্শ, এএফসি কাপ ও জাতীয় দলের খেলা শেষেই লিগের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হোক।

রহমতগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক ইমজিয়াজ হামিদ জানিয়েছেন, বাফুফে ও সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন তাঁরা। তবে উত্তর বারিধারার সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম লিগবিষয়ক আলোচনাতেই ঢুকতে নারাজ। ফেডারেশনের ওপর মহাক্ষুব্ধ তিনি, ‘ফেডারেশন কর্তাদের ফোন করলে সাড়া পাই না। লিগ কমিটির চেয়ারম্যান সালাম মুর্শেদী সাহেব ক্লাবের সঙ্গে যোগাযোগ করেন না।’ তাঁর ক্ষোভের কারণ আছে আরেকটি, ‘ক্লাবগুলোকে লিগে অংশগ্রহণ ফি বাবদ ২০ লাখ টাকা করে দেওয়ার কথা। প্রথম পর্ব শেষ হয়েছে সেই কবে। অথচ কানাকড়িও এখনো পাইনি।’ এ ব্যাপারে জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সালাম মুর্শেদী ফোন ধরেননি।

ওদিকে এএফসি কাপের ম্যাচ নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি আবাহনীর। মালদ্বীপের ইগলস ক্লাবের বিপক্ষে ২৫ এপ্রিল ভারতে গিয়ে ম্যাচটা খেলা যায় কি না, ভেবে দেখতে বলেছিল এএফসি। কিন্তু লকডাউনে বাংলাদেশ থেকে বিমান চলাচল বন্ধ। আর ভারতীয় হাইকমিশন বন্ধ থাকায় ভিসা নেওয়াটাই বড় সমস্যা। ভারতে ম্যাচ খেলতে যাওয়ার ব্যাপারে তাই কোনো অগ্রগতি নেই বলে জানিয়েছেন আবাহনীর ম্যানেজার সত্যজিৎ দাশ রুপু।

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন