default-image

আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কিছুটা নিচে ব্যাট করেছেন সাকিব আল হাসান। এ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাঁকে ও মুশফিকুর রহিমকে আরও ওপরে খেলানো প্রয়োজন। সাকিব অবশ্য ব্যাটিং অর্ডার ​নিয়েও মোটেও চি​ন্তিত নন। তবে তিনি ভাবছেন বাংলাদেশের শেষ আটে পৌঁছানো নিয়ে। 
সাকিব আজ নেলসনে সাংবাদিকদের বললেন, ‘এটা কোচ ও অধিনায়কের ব্যাপার। তারা যেটা দলের জন্য ভালো মনে করবে সেটাই করবে। আমার মনে হয় না, তাতে কেউ দ্বিমত করবে।’
বিশ্বকাপ মিশন শুরুর আগেই জানা গিয়েছিল, বাংলাদেশ দলের লক্ষ্য কোয়ার্টার ফাইনাল। নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয়, দ্বিতীয় ম্যাচে পয়েন্ট ভাগাভাগি, তৃতীয় ম্যাচে হার—তবুও শেষ আটে যাওয়ার দারুণ সম্ভাবনা আছে বাংলাদেশের। এখন সম্ভাবনা আর সমাপ্তির মাঝে দূরুত্ব দুই ম্যাচ। সাকিব এ ব্যাপারে আশার গানই শোনাচ্ছেন, ‘সহজ হিসাব, আগামী তিন ম্যাচের দুটো জিতলেই কোয়ার্টার ফাইনালে যাব। সেটা করতে পারলে আর কোনো সমীকরণের প্রয়োজন হবে না। আমরা সেভাবেই প্রস্তুত হচ্ছি।’
শ্রীলঙ্কার ম্যাচে ছিল অনেক ভুল। বিশেষ করে সেদিন বাজে ফিল্ডিংয়ের চড়া মূল্য দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে। তবে এগুলো ক্রিকেটের অংশ হিসেবেই মনে করেন সাকিব, ‘এর আগের ম্যাচগুলোয় (শ্রীলঙ্কা ম্যাচের আগে) তো আমরা ভালো ফিল্ডিং করেছি। কোনো ম্যাচে ভালো ফিল্ডিং হয়, কোনো ম্যাচে খারাপ। এটা আসলে ক্রিকেটের অংশ। আমরা সবাই উন্নতি করার চেষ্টা করছি।’

তবে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জিতে ছন্দ ফিরে পেতে চান বাংলাদেশ-সেরা অলরাউন্ডার, ‘এ ম্যাচটা জিতলেই একটা ছন্দ চলে আসবে। যারা ভালো করবে তাদের আত্মবিশ্বাস ফিরে আসবে। সেদিক দিয়ে এ ম্যাচটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
মুখোমুখি লড়াই বিচার করলে স্কটল্যান্ড বাংলাদেশের কাছে একপ্রকার ‘অচেনা’ প্রতিপক্ষ। বাংলাদেশকে ‘ধরিয়ে’ দিতে স্কটিশদের সহায়তা করতে এরই মধ্যে নেলসনে হাজির হয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক কোচ শেন জার্গেনসেন। ফলে প্রতিপক্ষের আতশি কাচের নিচেই রয়েছে মাশরাফিরা। সাকিব অবশ্য এসব মানতে নারাজ, ‘এখন বিশ্ব ক্রিকেটে সব দলকেই সবাইকে চেনে। এত খেলা হয়, এত মানুষ তা টিভিতে দেখে। সবাই সবার খেলা বিশ্লেষণ করে। ফলে একে অপরকে কম-বেশি সবাই চেনে-জানে। আর মাঠের বাইরের পরিকল্পনাতেই যদি সব হতো, তাহলে মাঠে না খেলে কেবল পরিকল্পনা করলেই চলত! মাঠের খেলাটাই গুরুত্বপূর্ণ।’
অনেকে বলছেন নিউজিল্যান্ডের উইকেটের চরিত্র অনুযায়ী বাংলাদেশ দলে প্রয়োজন হবে একজন বাড়তি স্পিনার। সাকিব মনে করেন স্পিনার নয়, এ ক্ষেত্রে গুরুদায়িত্বটা হবে পেসারদেরই, ‘এখানে স্পিন কাজ করবে কি না, সেটা নিয়ে প্রশ্ন আছে। যদি স্পিন সহায়ক হয়, তাহলে অবশ্যই আমাদের স্পিনাররা সুযোগ কাজে লাগাতে পারে। তবে আমরা যে দুটো ম্যাচ খেলেছি, সেগুলো স্পিন সহায়ক উইকেট ছিল না। এ কারণে আমার মনে হয় দায়িত্বটা ফাস্ট বোলারদেরই।’

বিজ্ঞাপন
খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন