default-image

ইংল্যান্ডের হয়ে সব সংস্করণ মিলিয়ে কি খেলেছেন ২১টি ম্যাচ। ২০০৪ সালে লর্ডসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন, ২০০৫ সালে উইজডেনের বর্ষসেরা ক্রিকেটারদের একজন হয়েছিলেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে কি বেশ সমাদৃত এক নাম। তিন দশক ধরে কাউন্টি পর্যায়ে খেলার সঙ্গে দুই মেয়াদে প্রায় আট বছর কেন্টকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সব মিলিয়ে ২৮ হাজারের ওপর রান আছে তাঁর, আছে ৬০টি শতক। কেন্টের হয়ে ডিভিশন টু-তে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ জেতার সঙ্গে তিনবার সীমিত ওভারের টুর্নামেন্টে ফাইনাল খেলেন কি। ১৯৯৮ সালে ইংল্যান্ডের যুব বিশ্বকাপ জেতা দলেও ছিলেন।  

২০১৬ সালে অবসরের পর থেকেই স্কাই স্পোর্টসের হয়ে ধারাভাষ্য দিচ্ছিলেন কি। পাশাপাশি পত্রিকায় কলামও লিখেছেন নিয়মিত। এর আগে ইসিবির পারফরম্যান্স ক্রিকেট কমিটিরও সদস্য ছিলেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর কি বলেছেন, ‘এ পদে দায়িত্ব নেওয়াটা দারুণ সম্মানের। ছাপ রাখতে পারার সঙ্গে পার্থক্য তৈরি করার এ সুযোগ সবাই পায় না। ইংল্যান্ডের ছেলেদের ক্রিকেটের পরবর্তী সফল যুগের কাঠামো গড়ে তুলতে সর্বস্ব উজাড় করে দেব আমি।’

ইংল্যান্ড ক্রিকেটের বর্তমান পরিস্থিতিটা সহজ নয়, স্বাভাবিকভাবেই কি সেটি জানেন। তবে নতুন দিনের আশার কথাই শুনিয়েছেন দায়িত্ব নেওয়ার পর, ‘এ মুহূর্তে ইংলিশ ক্রিকেটের কঠিন এক সময় যাচ্ছে। তবে আমি এটিকে রোমাঞ্চকর হিসেবেও দেখতে চাই। আমাদের দুটি দল বিশ্বের র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে বা কাছাকাছি আছে, অনেক মেধা আছে আমাদের। আমি সবাইকে এ যাত্রায় শামিল করার চেষ্টা করব বলে আশা করছি। যাতে সব সংস্করণে নতুন এক উচ্চতায় যেতে পারি।’

default-image

তাঁকে এ পদে নেওয়ার পর ইসিবির প্রধান নির্বাহী টম হ্যারিসন বলেছেন, ‘যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করার পর রব প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এগিয়ে ছিল। ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার জ্ঞান ও খেলার প্রতি ভালোবাসা অসাধারণ পর্যায়ের। সে প্রমাণিত একজন নেতা। মৌলিক ধারণা ও দৃঢ়তার মাধ্যমে সে কার্যকরী হয়ে উঠবে। আমি নিশ্চিত খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফরা তার সঙ্গে কাজ করাটা উপভোগ করবে। সে চ্যালেঞ্জ নিতে মুখিয়ে আছে।’

কি-র সামনে বেশ কয়েকটি চ্যালেঞ্জই অপেক্ষা করছে। ক্রিস সিলভারউডকে ছাঁটাই করার পর থেকে প্রধান কোচের পদ শূন্য আছে ইংল্যান্ডের। সম্প্রতি সরে দাঁড়িয়েছেন টেস্ট অধিনায়ক জো রুটও। এ দুই পদে নতুন ব্যক্তিকে নিয়োগ দেবেন কি।

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন