বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ যেখান থেকে শেষ করেছিল ভারত, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শুরু করল সেখান থেকেই। ব্যাটিংয়ে নেমে ভারতকে শক্ত ভিত এনে দেন অধিনায়ক রোহিত ও কিষান। পাওয়ারপ্লেতে দুজন মিলে যোগ করেন ৫৮ রান। ১২তম ওভারে গিয়ে ৩২ বলে ৪৪ রান করে লাহিরু কুমারার বলে রোহিত বোল্ড হলে ভাঙে সে জুটি। কিষান অবশ্য থামেননি। শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক দাসুন শানাকার বলে ক্যাচ দিলে শতক থেকে ১১ রান দূরেই থামতে হয় এই বাঁহাতিকে, তবে ক্যারিয়ার–সর্বোচ্চ স্কোর পান ঠিকই। ইনিংসে ১০টি চারের সঙ্গে মারেন ৩টি ছয়।

১৭তম ওভারে কিষান ফিরলেও ভারতের রানের গতি কমেনি। প্রথম ১২ বলে ১২ রান করা শ্রেয়াস ঝড় তোলেন এরপর, মাত্র ২৫ বলেই পান অর্ধশতক। শেষ পর্যন্ত ৫৭ রানের ইনিংসে ৫টি চারের সঙ্গে মারেন ২টি ছয়। শেষ ২ ওভারে ভারত তোলে ৩৪ রান।

default-image

রানতাড়ায় প্রথম বলেই উইকেট হারিয়ে শুরুটা বিভীষিকাময় হয় শ্রীলঙ্কার। নিসাঙ্কার পর বেশিক্ষণ টেকেননি আরেক উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান কামিল মিশারাও। ভুবনেশ্বরের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি। অথচ ১ বল আগেই ভেঙ্কটেশ আইয়ার ফেলেছিলেন মিশারার সহজ ক্যাচ। পাওয়ারপ্লেতে শ্রীলঙ্কা আর উইকেট হারায়নি, তবে ২৯ রানের বেশি তুলতে পারেনি।

জানিত লিয়ানাগেকে ফিরিয়ে ভারতকে ব্রেকথ্রু দেন ভেঙ্কটেশই, সপ্তম ওভারে। দীনেশ চান্ডিমাল ও অধিনায়ক শানাকাকেও এরপর দ্রুত হারায় শ্রীলঙ্কা—চান্ডিমালকে ফেরান জাদেজা, শানাকাকে যুজবেন্দ্র চাহাল। ষষ্ঠ উইকেটে চামিকা করুনারত্নের সঙ্গে ২৯ বলে ৩৭ ও সপ্তম উইকেটে দুষ্মন্ত চামিরার সঙ্গে ২৬ বলে ৪০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ব্যবধানটাই শুধু কমাতে পেরেছেন আসালাঙ্কা। ১৯তম ওভারে অর্ধশতক পান আসালাঙ্কা, আর চামিরা অপরাজিত ছিলেন ১৪ বলে ২৪ রান করে।

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন