বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো আজ সংবাদ সম্মেলনে সেই আভাসই দিয়েছেন। মূলত সাকিব আল হাসান না থাকাতেই শামীমের সুযোগ হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি, ‘সাকিব না থাকায় নতুন কাউকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে দেখা যেতে পারে।’

default-image

তবে সাকিবের মতো পুরোদস্তুর একজন অলরাউন্ডারের অভাব যে বাংলাদেশ বোধ করবে, ডমিঙ্গোর কথায় সেই শঙ্কাও থাকছে, ‘সাকিবের না থাকা আমাদের অনেক বড় ক্ষতি। দল তার নেতৃত্বের অভাব বোধ করবে, বিশেষ করে চাপের মুহূর্তে সাকিবের শান্ত থাকার গুণটা দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যখন সাকিব খেলে না, তখন আমাদের ব্যাটিং অথবা বোলিং—যেকোনো এক অংশ হালকা হয়ে যায়। আপনাকে সেই জায়গায় একজন অনিয়মিত বোলারকে খেলাতে হয়।’

চোটের কারণে উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান নুরুল হাসানকে নিয়েও শঙ্কা ছিল। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগের দিন অনুশীলনে ব্যাটিংয়ের সময় তলপেটের নিচে চোট পান তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলতে পারেননি। আগামীকালের ম্যাচেও তাঁকে ছাড়াই খেলতে হবে বাংলাদেশ দলকে।

সে ক্ষেত্রে শামীমের সঙ্গে সৌম্য সরকারকেও একাদশে দেখা যাবে। ডমিঙ্গো এ ব্যাপারে বলেছেন, ‘সোহান (নুরুল হাসান) আগামীকালের মধ্যে সুস্থ হতে পারছে না। শামীম ও সৌম্য যেহেতু দলের সঙ্গে বাড়তি ব্যাটসম্যান হিসেবে আছে, ওরাই কাল একাদশে থাকবে।’

default-image

প্রথমে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন এরপর সাকিব ও নুরুলের চোটে পড়া টিম ম্যানেজমেন্টকে নতুন প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। সুযোগ থাকার পরও বাংলাদেশ দল বিশ্বকাপে বাড়তি ক্রিকেটার নিয়ে যায়নি। এখন সাকিব ও নুরুলের চোট বাংলাদেশ দলকে ১৩ সদস্যের দলে পরিণত করেছে।

আজ ডমিঙ্গোকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে এসেছি দুজন বাড়তি ব্যাটসম্যান ও দুজন বাড়তি বোলার নিয়ে। একজন অফ স্পিনার ও দুজন উইকেটকিপার আছে আমাদের দলে। আমি এখনো মনে করি, আগামী দুই ম্যাচের জন্য আমাদের যথেষ্ট ক্রিকেটার আছে। মনে হয় না আমাদের বাড়তি ক্রিকেটার নিয়ে আসার দরকার ছিল।’

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন