বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো অবশ্য এসব নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন, সমালোচনা গায়েই মাখছেন না তিনি। তিনি বলছেন, এসব দেখারই সুযোগ নেই তাঁর। কারণ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই নেই তিনি।

default-image

সুপার টুয়েলভে শ্রীলঙ্কার পর ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছেও হেরেছে বাংলাদেশ। তবে শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশ জিততেও পারত। এ দুই ম্যাচে জয়ের সুযোগ তৈরি করেও হেরেছে বাংলাদেশ। ক্যারিবীয়দের কাছে হারটা তো ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে বড় কষ্টের—এ ম্যাচে বাংলাদেশ যে হেরেছে মাত্র ৩ রানে।

আগামীকাল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে ডমিঙ্গো বললেন, সমালোচনা নিয়ে ভাবছেন না তিনি, ‘সৌভাগ্যক্রমে আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেই। সংবাদমাধ্যমও পড়ি না খুব একটা। যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছিলাম, মাছ ধরার দিকেই নজর ছিল, ক্রিকেট নয়। আমি তাই জানি না, সেখানে কী বলাবলি হচ্ছে এখন। তবে যেমনটা বললাম, আমাদের তরুণদের দারুণ কিছু পারফরম্যান্স আছে। শরীফুল (ইসলাম), (মোহাম্মদ) নাঈম বেশ ভালো করেছে।’

অবশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে না থাকলেও বা সংবাদপত্র না পড়লেও দলকে ঘিরে ‘নেতিবাচক’ ব্যাপারের ছড়াছড়ি ‘টের’ পাচ্ছেন তিনি, ‘ইতিবাচক হওয়ার সুযোগ আছে অনেক। তবে এ দলকে ঘিরে এখন অনেক বেশি নেতিবাচক ব্যাপার ছড়িয়ে আছে। আমি জানি, নির্দিষ্ট কিছু খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফের নির্দিষ্ট কোনো ব্যাপারে সমালোচনা হচ্ছে।’

default-image

ডমিঙ্গো তাই নজর দিতে চান দলের ইতিবাচক দিকগুলোতেই, ‘নজর দেওয়ার মতো ইতিবাচক অনেক দিক আছে। যখন অনেক কিছুই আপনার পক্ষে যাবে না, তখন হয়তো ইতিবাচক দিকগুলোর দিকে তাকাতেই ভুলে যাবে অনেকে। আমার মনে হয়, বয়সের হিসাবে আমরা সবচেয়ে তরুণ একটি দল এ প্রতিযোগিতার। হয়তো দু-তিনজন খুব বেশি অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে বলে লোকে এটা ভুলে যায়। তবে দলের বড় একটা অংশই তরুণ। ফল ভালো না হলেও আমি ছেলেদের নিয়ে গর্বিত, তারা ভালোই লড়াই করেছে। আমি নিশ্চিত, তারা এসব অভিজ্ঞতা থেকে শিখবে।’

বিশ্বকাপের আগে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। দেশের মাটিতে স্পিন-সহায়ক ও ধীরগতির উইকেটে এ সিরিজ দুটির সমালোচনা হলেও র‍্যাঙ্কিংয়ের কথা আলাদা করে উল্লেখ করেছেন ডমিঙ্গো। সেটাকে দেখছেন এ সংস্করণে দলীয় ‘উন্নতি’ হিসেবেই, ‘আট মাস আগেও যে দলটা বিশ্বের ১১ নম্বর দল ছিল, তাদের জন্য ৬ নম্বরে উঠে আসাটা বড় একটা অর্জন। বাংলাদেশ ক্রিকেটে এটাই সর্বোচ্চ। দলটা এগিয়ে যাওয়ার পথে বড় একটা ধাপই অতিক্রম করেছে। নিশ্চিতভাবেই কিছু তরুণ খেলোয়াড় উঠে এসেছে। এ অধ্যায়টা তো শেষ হয়ে যায়নি। এ সংস্করণে উন্নতির অনেক সুযোগ আছে। তবে আমি মনে করি, তরুণ খেলোয়াড়েরা বড় দলের সঙ্গে পারফর্ম করে দেখিয়েছে।’

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে পরপর দুই বছর হবে দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়ায় হতে যাওয়া পরবর্তী বিশ্বকাপের দিকে নজর দিতে চান বাংলাদেশের কোচ, ‘আমরা জানি, এখনো অনেক দূর যেতে হবে। তবে রাতারাতি কিছু হবে না। এটা একটা প্রক্রিয়া এবং এক বছরের মাঝে আরেকটা বিশ্বকাপ আছে। সে বিশ্বকাপে দল যাতে আরও ভালো অবস্থানে থাকে, সেটিই এখন নিশ্চিত করতে হবে।’

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন