বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওদিকে বার্সেলোনার অবস্থা? তথৈবচ, ছন্নছাড়া। ম্যাচ নিয়মিত কীভাবে জিতে আসতে হয়, সেই ফর্মুলাটাই যেন বের করতে পারছেন না নতুন কোচ রোনাল্ড কোমান। ম্যাচ শেষে শূন্য দৃষ্টিতে আকাশের পানে চেয়ে আছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি, মোটামুটি সব ম্যাচের পরই যেন এই দৃশ্যটা দেখা যাচ্ছে। অথচ নিজেদের সুযোগগুলো ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারলে আতলেতিকো নয়, জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ত বার্সাই। তিন মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে স্ট্রাইকে খেলা আতোয়ান গ্রিজমানের উদ্দেশ্যে দুর্দান্ত এক পাস দিয়েছিলেন তাঁর স্বদেশি উসমান দেম্বেলে। বাজেভাবে মিস করেন গ্রিজমান। এর দুই মিনিট পর স্প্যানিশ মিডফিল্ডার সল নিগেজের বাঁ পায়ের দুরন্ত শট আরও দুর্দান্তভাবে আটকান টের স্টেগেন। গোটা ম্যাচেই দেম্বেলেকে সামলাতে কষ্ট হয়েছে আতলেতিকোর। কোকে তো তাঁকে একবার আটকাতে গিয়ে গড়বড়ই করে ফেললেন, দেখলেন হলুদ কার্ড। ১৪ মিনিটে আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার আনহেল কোরেয়ার পাস থেকে শট নিয়ে সরাসরি পোস্টে লাগান স্প্যানিশ মিডফিল্ডার মার্কোস ইয়োরেন্তে। ম্যাচের শুরু থেকে মেসি সেভাবে আতলেতিকোর রক্ষণভাগকে যন্ত্রণা দিতে পারেননি। ৩২ মিনিটে অবশেষে তাঁর এক শট আটকে দেন ইয়ান ওবলাক।

প্রথমার্ধের শেষে সেই ভুল। বার্সার রক্ষণভাগ থেকে পিকের একটা ভুলে বল চলে যায় আতলেতিকোর খেলোয়াড়ের কাছে। সেখান থেকে বল দেওয়া হয় আক্রমণভাগে থাকা বেলজিয়ান উইঙ্গার ইয়ানিক কারাসকোর দিকে লক্ষ্য করে। কারাসকো মোটামুটি ফাঁকা জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিলেন, সেটা দেখেই কি না, টের স্টেগেনের মধ্যে ‘সুইপার কিপার’ সত্তা জেগে উঠল। কারাসকোর পায়ে বল আসার আগেই যেন ছোঁ মেরে নিতে পারেন, সে জন্য বক্স ছেড়ে এগিয়ে এলেন অনেক দূর। লাভ হলো না। উল্টো কারাসকোই নাটমেগ করে স্টেগেনকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেলেন গোলের দিকে, এক শটে এগিয়ে দিলেন দলকে।

default-image

পরে লংলে, মেসির বেশ কিছু শট আটকে দিয়েছেন ওবলাক। পিয়ানিচের একটা শট লক্ষ্যভ্রষ্টও হয়েছে। ৮১ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে গোল করে মেসি সমতায় ফেরাবেন দলকে, এমনটা মনে করা হলেও, হয়নি। শেষমেশ হারের গ্লানি নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বার্সেলোনাকে।

এই পরাজয়ে আট ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার দশে বার্সেলোনা।

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন