বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ওদিকে তাঁর পায়ে তখন একের পর এক বিদ্যুৎ-চমক। যে চমকে ছিটকে গেলেন ডিফেন্ডার এমেরিক লাপোর্ত আর ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার রদ্রি। লাপোর্তের রক্ষণ সঙ্গী রুবেন দিয়াস তখন রবার্তো ফিরমিনোকে মার্ক করছিলেন। কিন্তু তিনি যেভাবে বল নিয়ে ছুটে আসছিলেন, দিয়াস বুঝলেন, ফিরমিনোকে আগলে রেখে লাভ নেই।

ঠেকাতে হবে বল নিয়ে আগুয়ান সেই খেলোয়াড়কে। মরিয়া হয়ে স্লাইডিং ট্যাকল করতে গেলেন, একই কাজ করলেন লাপোর্তেও। লাভ হলো না। ডান পায়ের জোরালো শটে বল ততক্ষণে আশ্রয় নিয়েছে জালে। গোলকিপার এদেরসন ডান দিকে চেয়ে চেয়ে দেখলেন বল ঢুকে গেল গোলে। পেছনে আসতে থাকা আরেক ডিফেন্ডার কাইল ওয়াকারেরও একই হাল।

এভাবেই একে একে অন্তত সাত থেকে আটজনের চোখের সামনে দিয়ে ড্রিবল আর গতির পসরা সাজিয়ে গোল করলেন লিভারপুলের ‘মিসরীয় রাজা’ মোহাম্মদ সালাহ। তাঁর গোলেই ম্যাচের ওই পর্যায়ে এগিয়ে গিয়েছিল লিভারপুল। কিন্তু শেষমেশ সালাহর দুর্দান্ত সেই গোলটা জয় এনে দিতে পারেনি লিভারপুলকে। কিছুক্ষণ পরেই কেভিন ডি ব্রুইনা গোল করে সমতায় ফেরান ম্যানচেস্টার সিটিকে।


এক পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হয়েছে, তাও আবার শিরোপা লড়াইয়ে থাকা সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে। লিভারপুলের কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের মনের মধ্যে একটু খচখচানি হওয়াই স্বাভাবিক।

কিন্তু সালাহর গোলটা যেন সব কষ্ট ভুলিয়ে দিচ্ছে ক্লপের, ‘এই ক্লাব কখনই কোনো কিছু ভোলে না। মানুষ এই গোলটা নিয়ে বছরের পর বছর ধরে কথা বলবে। ৫০-৬০ বছর পরেও এই গোলটা মনে রাখবে সবাই। সেরা খেলোয়াড়েরাই এমন গোল করে থাকে। প্রথমে যেভাবে বলের নিয়ন্ত্রণ নিল ও, এরপর একের পর এক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সামনে এগিয়ে গিয়ে ডান পায়ের শটে যেভাবে গোল করল, এক কথায় অনবদ্য।’


শেষ পর্যন্ত এ ড্রয়ের পর প্রিমিয়ার লিগে ৭টি করে ম্যাচ শেষে লিভারপুলের পয়েন্ট ১৫, সিটির ১৪। লিগে ইয়ুর্গেন ক্লপের দলের অবস্থান দুই নম্বরে, তিনে সিটি। সমান ৭ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে টমাস টুখেলের চেলসি।

খেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন