টেস্টে বাংলাদেশের সেরা র‍্যাঙ্কিংয়ের হাতছানি আবার

র‍্যাঙ্কিংয়ে আটে উঠে যাওয়ার হাতছানি বাংলাদেশের সামনে। ছবি: প্রথম আলো
র‍্যাঙ্কিংয়ে আটে উঠে যাওয়ার হাতছানি বাংলাদেশের সামনে। ছবি: প্রথম আলো
>

আগামীকাল শুরু হচ্ছে দুই টেস্টের সিরিজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১-০ ব্যবধানে হারাতে পারলে বাংলাদেশ উঠে আসবে আটে। কিন্তু ১-১ ড্র হলে আর তা হবে না। ২-০-তে হারলে তো আরও বিপদ! বাংলাদেশ দল অবশ্য আশাবাদী 

গত মে মাসের শুরুতে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে একটা সুখবর পেয়েছিল বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো উঠে এসেছিল র‍্যাঙ্কিংয়ের আটে। সেই সুযোগ আবারও এসেছে বাংলাদেশের সামনে। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এই সিরিজে ১-০ ব্যবধানে হারাতে পারলে আবারও নয়ে নেমে যাওয়া বাংলাদেশের উন্নতি হবে এক ধাপ।

ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ধারাবাহিক অগ্রগতির প্রতিচ্ছবি ছিল র‍্যাঙ্কিং। বাংলাদেশ একসময় ছয়েও উঠে এসেছিল। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে ভালো করা তো আর সহজ নয়। তবে হাঁটি হাঁটি পা পা করে হলেও সেখানেও এগোচ্ছে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়াকে দেশের মাটিতে হারানো; শ্রীলঙ্কার মাটিতে গিয়ে টেস্ট জিতে আসা—এগুলো সেই অগ্রযাত্রার ভিত্তি। এর মধ্যে যে হতাশও হতে হয়নি, তা নয়। কদিন আগেই জিম্বাবুয়ের কাছে দেশের মাটিতে টেস্ট হেরেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের সামনে এবার সুযোগ সেই হতাশা তো বটেই, ওয়েস্ট ইন্ডিজকেও পেছনে ফেলার। আগামীকাল চট্টগ্রাম টেস্ট দিয়ে শুরু হচ্ছে দুই ম্যাচের সিরিজ। যে সিরিজটা হয়ে উঠবে র‍্যাঙ্কিংয়েরও লড়াই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবধান ৯ রেটিং পয়েন্টের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের রেটিং ৭৬, বাংলাদেশের ৬৭। ১-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতলে বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট হবে ৭৩, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৭২। ২-০ ব্যবধানে জিতলে রেটিং পয়েন্ট হবে যথাক্রমে ৭৫ ও ৭১।

এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজকেই টপকে আটে উঠেছিল বাংলাদেশ, যেটি এখন পর্যন্ত টেস্টে বাংলাদেশের সেরা র‍্যাঙ্কিং। পরে আবার নয়ে নেমে যায় বাংলাদেশ। ৫ বছর পর জিম্বাবুয়েকে টেস্ট জয়ের স্বাদও দেয়। আজ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক সাকিব আল হাসান অবশ্য এ সিরিজে ভালো করার ব্যাপারে আশাবাদীই ছিলেন, ‘এই দুই দলের র‌্যাঙ্কিংয়ের অবস্থানটা খুব কাছাকাছি। তাই স্বাভাবিকভাবে ওরা যেমন ওদের নিজেদের মাটিতে ভালো করতে পেরেছে, আমাদেরও লক্ষ্য থাকবে আমরা ওই রকমই ভালো করব আমাদের মাটিতে।’

পরে আরেক প্রশ্নের জবাবেও সাকিব বলেছেন, ‘আমি তো আশাবাদী। আমি মনে করি, পুরো দলও মনে করে ওদের সঙ্গে ভালো করা সম্ভব। ভালো করার সেই বিশ্বাসটা সেটা সবার ভেতরে আছে। আর যেহেতু দুই দলের র‍্যাঙ্কিংটা কাছাকাছি, আমরা আট-নয়ে অবস্থান করছি। আমি মনে করি. এই সিরিজটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা ভালো করব।’

তবে এই সিরিজটা কিন্তু ১-১ হয়ে গেলে বাংলাদেশের এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া হবে না। নয়েই থাকতে হবে। আর ২-০-তে সিরিজ হারলে ৯ রেটিং পয়েন্টের ব্যবধানটা হয়ে যাবে ১৯!

আইসিসি টেস্ট র‍্যাঙ্কিং

আইসিসি টেস্ট র‍্যাঙ্কিং

র‍্যাঙ্কিং

দল

ম্যাচ

রেটিং

ভারত

৩৮

১১৬

দক্ষিণ আফ্রিকা

৩৫

১০৬

ইংল্যান্ড

৪৫

১০৫

নিউজিল্যান্ড

২৩

১০২

অস্ট্রেলিয়া

৩৬

১০২

শ্রীলঙ্কা

৩৮

৯৭

পাকিস্তান

২৪

৯৫

ওয়েস্ট ইন্ডিজ

৩২

৭৬

বাংলাদেশ

১৯

৬৭

১০

জিম্বাবুয়ে