মেসির ঘরে করোনাপ্রতিরোধক তোশক

পরিবারের সবাইকে করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে নতুন ব্যবস্থা নিয়েছেন লিওনেল মেসি। ছবি: টুইটার
পরিবারের সবাইকে করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে নতুন ব্যবস্থা নিয়েছেন লিওনেল মেসি। ছবি: টুইটার

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মানুষের চেষ্টার শেষ নেই। বাইরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি ঘরেও নেওয়া হচ্ছে নানা ব্যবস্থা। নিয়ম করে হাত ধোয়া থেকে ঘুমোনোর বিছানা পর্যন্ত জীবাণুমুক্ত রাখার চেষ্টা চলছে। লিওনেল মেসি এমনই এক বিছানায় রাতে ঘুমান।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভো জানিয়েছে, বিশেষভাবে তৈরি করা তোশকে ঘুমান বার্সেলোনা তারকা। এ তোশক করোনা প্রতিরোধ করতে সক্ষম। আরেকটু খোলাসা করে বললে, ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করে দেয় তোশকটি। ৯৯.৮৪ শতাংশ কার্যকর ক্ষমতাসম্পন্ন মেসির এ তোশক নিয়ে চলছে আলোচনা।

স্প্যানিশ এক প্রতিষ্ঠানের তৈরি করা এ তোশকে ব্যবহার করা হয়েছে উদ্ভাবনী কৌশল। সুতোয় রয়েছে অত্যন্ত সূক্ষ্ম (১০০ কোটি ভাগের এক ভাগ ক্ষুদ্র) কণা, যা সর্বোচ্চ ৪ ঘণ্টার মধ্যে ভাইরাস নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম। কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মেসি এই তোশক কেনেননি, বরং উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলারকে তা উপহার দেওয়া হয়েছে।

তবে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম কুয়াত্রো জানিয়েছে, হাইটেক তোশক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘টেক মুন’–এর মাধ্যমে এটি সংগ্রহ করেছেন মেসি, সল নিগেজ ও সার্জিও আগুয়েরো। করোনায় আক্রান্ত কেউ বিশেষ এই তোশকে ঘুমালে এটি কোভিড-১৯ ভাইরাস শরীর থেকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলে।

ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে এই তোশক সম্বন্ধে জানিয়েছে ‘টেক মুন’। তাদের ভাষ্য, করোনাভাইরাসের চেয়েও আকারে ৫ গুণ ছোট কণা ব্যবহার করা হয়েছে। দূষণনিরোধক এ প্রক্রিয়ায় রয়েছে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও হাইড্রোক্সাইডের সমন্বয়। ‘কোভিড-১৯ ভাইরাস এতে সংক্রমণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে’,—বলা হয় টেক–মুনের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে।

মেসির কেনা তোশকে ভাইরাস প্রতিরোধব্যবস্থার নাম ‘ভাইরাক্লিন’। সংবাদমাধ্যম জানায়, এ পণ্যের গুণাগুণ যাচাই করে পরিবারে বাকিদের জন্য আরও কয়েকটি তোশক সংগ্রহ করেন আর্জেন্টাইন তারকা। মূলত মেসির সুপারিশ থেকেই নাকি ম্যানচেস্টার সিটির আর্জেন্টাইন তারকা আগুয়েরো এ তোশক সংগ্রহ করেছেন।

অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ মিডফিল্ডার নিগেজ এ তোশকের পণ্যদূত। ঘুমাতে এ তোশক ভীষণ কাজে লাগছে বলে জানিয়েছেন নিগেজ, ‘আগে ম্যাচের পর ঘুমাতে ঘুমাতে সকাল ৫টা–৬টা বেজে যেত। কিন্তু তোশকটি ব্যবহার শুরুর পর ঘণ্টা দেড়েকের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ি।’