বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এবার সে তালিকায় নাম লেখালেন ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বিশ্বকাপ জেতা উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ব্র্যাড হ্যাডিনও। স্পষ্ট বলে দিলেন, অ্যাশেজে ভালো করতে হলে গতানুগতিকতার বাইরে চিন্তা করতে হবে ইংল্যান্ডকে। অধিনায়কত্ব কেড়ে নিতে হবে রুটের কাছ থেকে। আর রুটের চেয়ে ভালো অধিনায়ক ইংল্যান্ড দলেই আছেন বলে মনে করেন হ্যাডিন। তিনি আর কেউ নন—অলরাউন্ডার বেন স্টোকস।


হ্যাডিনের মতো, কৌশলগত দিক দিয়ে রুটের চেয়ে স্টোকসই ভালো অধিনায়ক, ‘দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিন সকালে ইংল্যান্ড যা একটু ভালো করেছে কৌশলগত দিক দিয়ে। সে সময় কে মাঠে ছিল না? জো রুট। তখন রুটের কাছ থেকে কিছুক্ষণের জন্য স্টোকস অধিনায়কত্ব নিয়েছিল। ওকে অনেক ঠান্ডা মাথার মনে হয়েছে। মনে হয়েছে, ওর মাথায় নির্দিষ্ট একটা পরিকল্পনা আছে। ওর অধীন বোলাররা আরও বেশি ফুল লেংথে বল করছিল। মিড উইকেট আর শর্ট কভারে ক্যাচ ধরার জন্য ফিল্ডারও রেখেছিল সে। বোলাররা স্টাম্প বরাবর বল করছিল। আমার মনে হয়, ২০ রানের মধ্যে ওরা অস্ট্রেলিয়ার চার উইকেট নিয়ে নিয়েছিল। অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলে দিয়েছিল।’

default-image

রুট নেমে আবারও সব ভজকট পাকিয়ে দেন বলে এম ক্রিকেটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন হ্যাডিন, ‘রুট আসার পর সবকিছু আবার খারাপ হতে শুরু করল। আমার কাছে মনে হলো, কিছু একটা ঠিক নেই। আমার মনে হয়, কৌশলগত দিক দিয়ে স্টোকসই যোগ্য নেতা। প্রথম দুই টেস্টের দিকে তাকিয়ে অন্তত এটাই মনে হচ্ছে। কিছু একটা ঠিক নেই ওদের।’


কিছুদিন আগে রিকি পন্টিংও অধিনায়ক রুটকে ধুয়ে দিয়েছিলেন। ২৭৫ রানে হারের পর বোলারদের ঢালাওভাবে দোষ দিয়েছিলেন রুট। আর এটাই পছন্দ হয়নি পন্টিংয়ের। তাঁর মনে হয়েছে, বোলাররা যদি সঠিক লেংথে বল না করে এবং অধিনায়ক যদি সেটি বুঝতেই পারেন, তাহলে বোলারদের সঠিকভাবে বল করানোটাই অধিনায়কের কাজ। সেটা মাঠে করতে না পেরে সংবাদ সম্মেলনে এভাবে কথা বলার কোনো অর্থ দেখেননি পন্টিং, ‘যখন এ কথা শুনলাম, আমি আরেকটুর জন্য চেয়ার থেকে পড়ে যাচ্ছিলাম। তাদের (বোলারদের) লেংথ পরিবর্তন করানো কার দায়িত্ব? তুমি তাহলে অধিনায়ক কেন? কোন লেংথে বল করতে হবে, সেটা যদি ঠিক করে দিতে না পার, তাহলে মাঠে আছ কেন?’

default-image

পন্টিংয়ের কাছে মনে হয়েছে, অধিনায়কত্ব কী জিনিস, সেটাই বোঝেন না রুট, ‘জো রুট চাইলেই এসে যা খুশি তা বলতে পারে, কিন্তু অধিনায়ক হলে, বোলাররা যে তোমার পছন্দ অনুযায়ী বল করতে পারছে না, সেটা বোঝা উচিত। আর তারা যদি কথা না শোনে, তাদের সরিয়ে দাও, ব্যাপারটা এতই সোজা। যে এ কাজ করতে পারে, তাকে বল দাও। অথবা মাঠেই তাদের কড়া কথা শুনিয়ে দাও, বল কী চাও। অধিনায়কত্ব মানেই তো এটা।’


ওদিকে আরেক সাবেক ইয়ান চ্যাপেলও রুটের অধিনায়কত্ব দেখে বিরক্ত, ‘দুর্দান্ত নেতৃত্বের বিপরীত কোনটা? জো রুটের অধিনায়কত্ব দেখেই বোঝা যায় সেটা।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন