default-image

এরই মধ্যে ব্রিসবেনে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় মার্সিয়া। এ ঘূর্ণিঝড়টা নিয়ে বাংলাদেশের কেন এত আগ্রহ? যৌক্তিক কারণ আছে। কারণ, এই ঝড়টাই যে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে আগামীকালের বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ। 
পুরো ব্রিসবেন শহর ভেসে গেছে বন্যায়। দমকা বাতাস বইছে, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ঘরবাড়ির। গাছপালা উপড়ে বিদ্যুৎ লাইনে পড়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে অনেক এলাকায়। আবহাওয়া দপ্তর বলছে, বাতাসের গতিবেগ পৌঁছেছে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৯০ কিলোমিটারে। ব্রিসবেনের মতো বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের ভেন্যু গ্যাবা এখন জলমগ্ন! অনুপযোগিতার কারণে বাংলাদেশ দল পারেনি মাঠে অনুশীলন করতে। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বেশ বিরস বদনেই দেখছিলেন মাঠের অবস্থা। খেলা যদি আগামীকাল না-ই হয় অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম বিখ্যাত এ মাঠে খেলার স্বপ্নটা অপূর্ণই থেকে যাবে বাংলাদেশ দলের।

দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ আজ দুপুরে টেলিফোনে জানালেন, ‘সারাদিন মুষলধারে বৃষ্টি হলেও এ মুহূর্তে গুঁড়িগুঁড়ি। আগামীকাল যদি রোদ উঠে, তবে ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত সম্ভাবনা দেখছি না। কারণ, রোদ উঠবে কি উঠবে না, তা বলা সম্ভব নয়! বৃষ্টির কারণে আজ মাঠের পরিবর্তে ইনডোরে অনুশীলন করেছে দল।’      
আগামীকালের ম্যাচের চেয়ে আইসিসি নাকি এখন ভাবছে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের নিয়ে। এক বিবৃতিতে আইসিসি জানিয়েছে, ‘আমাদের ভাবনায় এখন ঘূর্ণি উপদ্রুত মানুষেরা।’ তবে ম্যাচ প্রসঙ্গে আইসিসি জানিয়েছে, ‘গ্রুপ পর্বের ম্যাচের জন্য কোনো সংরক্ষিত দিন নেই। ম্যাচটা হবে এ প্রত্যাশা নিয়েই আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। আর ম্যাচের ব্যাপারে পরিস্থিতি বুঝে আগামীকাল (শনিবার) সিদ্ধান্ত নেবেন আইসিসি ম্যাচ অফিশিয়ালরা। দেরিতে শুরু হলেও ম্যাচটা আয়োজন করা হবে। প্রতিটি দল ন্যূনতম ২০ ওভার খেলতে পারলেই একটি ম্যাচে সফলভাবে সম্পন্ন সম্ভব। সূচি অনুযায়ী, ইনিংস বিরতির সময়ও যদি খেলা শুরু হয় তবুও ফল আসা সম্ভব। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করব। এরপর যেকোনো পরিবর্তনের ব্যাপারে পরামর্শ দেব।’
আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, বজ্রপাতসহ ভারী বৃষ্টিপাত হবে আগামীকালও। বাতাসে গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। এমন চলতে থাকলে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচটি তো পড়ে যাচ্ছে ঘোর অনিশ্চয়তার মধ্যেই। তথ্যসূত্র: ক্রিকেট ডটকম, এএফপি।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন