default-image

শেবাগের কথা, সে সময়ে ওয়ার্নার যতটা সময় অনুশীলনে ব্যয় করতেন, তার চেয়েও বেশি সময় ব্যয় করতেন পার্টিতে। ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের সঙ্গেও নাকি বেশ কয়েকবার ঝামেলা বেঁধেছিল ওয়ার্নারের, যা নিয়ে তটস্থ থাকতে হতো দিল্লিকে।

আইপিএলে দ্বিতীয় মৌসুম ছিল সেটি। শেবাগ তো আগে থেকেই দিল্লিতে ছিলেন, সেবার ওয়ার্নারকেও দলে টানে দিল্লি। শেবাগের সঙ্গে ওয়ার্নার—বিধ্বংসী এক উদ্বোধনী জুটির আশাই দেখেছিল দিল্লি। কিন্তু শেবাগের চোখে ওয়ার্নারের আচরণগত সমস্যা নিয়ে ভুগেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। সে কারণে ওয়ার্নারকে শিক্ষা দিতেই তাঁকে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

‘আমিও অনেক সময় অনেক খেলোয়াড়ের ওপর রাগ ঝেড়েছি এবং ডেভিড ওয়ার্নার এমন খেলোয়াড়দের একজন। কারণ যখন সে প্রথমবার যোগ দেয়, ও অনুশীলন বা ম্যাচ খেলার চেয়ে পার্টি করায় বেশি মনোযোগী ছিল। প্রথম বছরে কয়েকজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে ওর ঝামেলাও বেঁধেছিল, যে কারণে আমরা টুর্নামেন্টের শেষ দুই ম্যাচের আগে ওকে দেশে ফেরত পাঠিয়ে দিই’—ভারতীয় ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজে বলেছেন ওয়ার্নার।

default-image

কেন এভাবে ফেরত পাঠানো, সেটির একটা ব্যাখ্যাও দিয়েছেন শেবাগ, ‘মাঝেমধ্যে এমন হয়, এসব ক্ষেত্রে শিক্ষা দেওয়ার জন্য খেলোয়াড়কে দলের বাইরে রাখতে হয়। ও তখন দলে নতুন ছিল। সে কারণে ওকে এটা বোঝানো দরকার ছিল যে ও একাই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, অন্যরাও গুরুত্বপূর্ণ। এটা বোঝানো দরকার ছিল যে আরও অনেক খেলোয়াড়ই দলে আছে যাঁরা দলকে ম্যাচ জেতাতে পারে। সেটাই হয়েছে। ওকে আমরা দলের বাইরে রেখেছি, এরপর ম্যাচও জিতেছি।’

হঠাৎ করে শেবাগ এভাবে ওয়ার্নারকে নিয়ে কথা বলা শুরু করেছেন কেন? প্রসঙ্গটা এসেছে গত বৃহস্পতিবার আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিট্যালস ও সানরাইজার্স হায়দরবাদের ম্যাচের আগে। গত মৌসুমে হায়দরাবাদ থেকে অনেকটা বিতাড়িত ওয়ার্নারকে এবার নিলামের আগে ছেড়ে দিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। এরপর নিলামে সাড়ে ৬ কোটি রূপিতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনারকে কিনে নেয় দিল্লি।

বিনিয়োগটা খারাপ হয়নি দিল্লির জন্য। এ পর্যন্ত ৮ ম্যাচে চারটি অর্ধশতকসহ ৩৫৬ রান করেছেন ওয়ার্নার, টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকদের তালিকায় তিনি আছেন চার নম্বরে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন