default-image

৩৩টি শতক নিয়ে ২০১৮ সালে টেস্ট থেকে অবসর নিয়েছেন কুক। তবে লাল বলের ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের সেরা ওপেনার এখনো যে তিনিই, সেটা অবসরের প্রায় চার বছর পরও বুঝিয়ে দিচ্ছেন কাউন্টিতে। গত চার মৌসুমেই কাউন্টিতে ৪০ ম্যাচ খেলেছেন। ৭৫ ইনিংসে আড়াই হাজারের বেশি রান করেছেন। আছে ৯টি শতক ও ১১টি অর্ধশতক।

২০১৯ ও ২০২০ সালে গড় ৫০–এর নিচে নামতে দেননি। সে তুলনায় গত মৌসুমটা একটু খারাপ কেটেছে। ১৯ ইনিংসে মাত্র ৬১১ রান পেয়েছেন ৩২.১৫ গড়ে। এবার সেটা ভুলিয়ে দিচ্ছেন দারুণ ঢঙে।

মৌসুমের প্রথম ইনিংসেই কেন্টের বিপক্ষে শতক পেয়েছেন। সমারসেটের বিপক্ষে পরের ম্যাচে অর্ধশতক। পরের দুই ম্যাচের চার ইনিংসে অবশ্য ৫০–এর দেখা পাননি। গত ৫ মে ইয়র্কশায়ারের আমন্ত্রণে ব্যাট করতে নেমেই দুঃখ ঘুচেছে তাঁর। প্রথম দিনেই ১০৭ রান তুলেছেন। আর কাল ম্যাচের শেষ দিনে খেলা শেষ হওয়ার আগে অপরাজিত ছিলেন ১০২ রানে।

এতে অবশ্য একটুর জন্য একটি রেকর্ডের পোডিয়ামে ওঠার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে। গতকালের শতকটি ছিল প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে কুকের ৭২তম। অর্থাৎ জোড়া শতক পাওয়ার আগে ক্যারিয়ারের আরও ৭০টি শতক করেছেন কুক।

কিন্তু এ ক্ষেত্রে তাঁর চেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষায় ছিলেন চারজন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান প্যাটসি হেনড্রেনের। শতকেও তাঁর চেয়ে এগিয়ে মাত্র একজন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে চোখ কপালে তোলা ১৭০টি শতক তাঁর। তবে প্রথম ৮৪ শতক কখনো একই ম্যাচের দুই ইনিংসে ছিল না তাঁর। তাঁর সময়কার আরেক ইংলিশ ব্যাটসম্যান জন হিয়ারনি। ৯৬টি প্রথম শ্রেণির শতক তাঁর। অথচ জোড়া শতকের দেখা পেয়েছেন ৮২ ও ৮৩তম শতক মিলিয়ে।

তিনে থাকা নামটি বেশ পরিচিত। ক্রিকেটে প্রায় অভাবনীয় এক কাজ করেছিলেন গ্রাহাম গুচ। টেস্টের এক ইনিংসে ত্রিশতকের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও শতক পেয়েছিলেন। ভারতের বিপক্ষে সে কীর্তির আগে প্রথম শ্রেণিতেই তাঁর কোনো জোড়া শতক ছিল না! অথচ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এর আগেই তাঁর ৭৭টি শতক ছিল। চারে গিয়ে ইংল্যান্ডের বাইরের কারও জায়গা হয়েছে। পাকিস্তানের মাজিদ খানের জোড়া শতক তাঁর ক্যারিয়ারের ৭২ ও ৭৩তম শতক।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন