বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এ বিশ্বকাপে শুরু থেকেই ফর্মে ছিলেন না পাকিস্তানি এই পেসার। ৬ ম্যাচে মাত্র ৫ উইকেট পেয়েছেন। ওভার প্রতি ৯ রান দিয়েছেন, ৪১.৪০ গড়ে উইকেট পেয়েছেন। সেমিফাইনালেও খুব বাজে বোলিং করেছেন তিনি। ৪ ওভার বোলিং করে কোনো উইকেট না পেয়ে খরচ করেন ৪৪ রান। তার ওপর শাহিন শাহ আফ্রিদির করা ১৯তম ওভারের তৃতীয় বলে ডিপ মিড উইকেটে ম্যাথু ওয়েডের সহজ ক্যাচ হাতছাড়া করেন। ওই ওভারের শেষ তিন বলে তিন ছক্কা মেরে খেলা শেষ করে দেন ওয়েড।

default-image

পাকিস্তানি ভক্ত-সমর্থকেরা সেসব ক্ষোভ ঢেলেছেন হাসান আলীর ওপর। এর ওপর পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজমের ম্যাচ শেষে দায়টা ওভাবে এই পেসারের ঘাড়ে ফেলায় বারুদের স্তুপে আগুন ধরেছিল। হাসানকে নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। তাঁর স্ত্রী ভারতীয় বলে সমর্থকদের রোষানলে পড়েন।

এত সমালোচনায়ও এত দিন চুপ ছিলেন হাসান আলী, অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন। এক টুইটের মাধ্যমে ভক্ত এবং সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি জানি, আপনাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী খেলতে না পারায় আপনারা সবাই আমার ওপর রেগে আছেন। কিন্তু আমার থেকে বেশি হতাশ কেউ হয়নি।’

default-image

পাকিস্তানের হয়ে নিজের সর্বোচ্চ দেওয়ার প্রতিজ্ঞা করেছেন, ‘আমার প্রতি যেন আপনাদের প্রত্যাশা বদলে না যায়। আমি যত দিন সম্ভব সর্বোচ্চ পর্যায়ে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে চাই। ফলে আমি আবার পরিশ্রম শুরু করেছি। এ কঠিন সময় আশা করি আমাকে আরও অনেক শক্তিশালী হতে সাহায্য করবে।’
দুঃসময়ে পাশে থাকার জন্য শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান হাসান, ‘ফোন, খুদে বার্তা, টুইট, পোস্ট এবং দোয়ার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আমার এগুলোর প্রয়োজন ছিল।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন