কাল চট্টগ্রাম টেস্টের ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়ে আবিদ বলেছেন, ‘আমার পারফরম্যান্সের কৃতিত্বটা পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটকেই দিতে হবে।’ সত্যিই ঘরোয়া ক্রিকেট যে একজন ক্রিকেটারকে কতটা গড়ে তুলতে পারে, ঘরোয়া ক্রিকেট যে ভালো ক্রিকেটার তুলে নিয়ে আসায় কতটা প্রয়োজনীয়, আবিদ আলী যেন সেই ধারণারই বড় প্রমাণ।

এরই মধ্যে পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে ১৪ বছর কাটিয়ে দিয়েছেন আবিদ আলী। ২০০৭ সালে পাকিস্তানের ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট টুর্নামেন্ট কায়েদে আজম ট্রফিতে তাঁর অভিষেক। ২০১৭-১৮ মৌসুমে ইসলামাবাদের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের একটি ইনিংসে আদ্যন্ত ব্যাটিংয়ের রেকর্ড আছে তাঁর। সে ম্যাচে তিনি করেছিলেন অপরাজিত ২৩১। কিছুদিন পর আরও একটি ইনিংসে তাঁর ব্যাট থেকে আসে অপরাজিত ২৪৯ রানের একটি ইনিংস।

default-image

এর আগে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রায় এক যুগ কাটিয়ে দিয়েছিলেন। কখনোই সুযোগ পাননি পাকিস্তান দলে। নির্বাচকদের নজরেই আসেননি কখনো। কিন্তু যখন সুযোগ পেলেন, তখন তিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন এক যুগ ধরে তাঁর প্রতি অন্যায়-অবিচারের ব্যাপারটি। বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেটের বিশেষজ্ঞ বলতে চান আবিদকে? তিনিই যে ক্রিকেট ইতিহাসে এখন পর্যন্ত একমাত্র ক্রিকেটার, যিনি তাঁর টেস্ট আর ওয়ানডে—দুই অভিষেকেই সেঞ্চুরি করেছেন। ওয়ানডে সেঞ্চুরিটি তাঁর দুবাইয়ে, অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের বিপক্ষে। অনেকটা নীরবে-নিভৃতেই তিনি নিজেকে পাকিস্তান ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছেন এরই মধ্যে।

১২৭টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৮ হাজার ৮০০ রান, ২৫টি শতক, ৩৫টি পঞ্চাশ, গড় ৪১.৩১—ঘরোয়া ক্রিকেট যে পারফরমার তৈরি করে, আবিদ আলীর ক্যারিয়ারের সংখ্যাগুলোই তার প্রামাণ্য দলিল।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন