বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

উইকেটটা পরের দিকে ব্যাটিংয়ের জন্য তুলনামূলক সহজ হয়ে এসেছিল। ১৪৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জেতা উচিত ছিল। আবার ওদের কয়েকজন ধীরগতির ফিল্ডার বলে লক্ষ্যটা কার্যত আরও ১০ রানের মতো কম ছিল। সাকিব সেভাবে দৌড়াতে পারবে না বলেই হয়তো ওপেনিংয়ে পাঠানো হয়েছে, বড় শট খেলবে। তবে ইনিংসের প্রথমভাগে শট খেলা সহজ ছিল না। এটা কাজে আসেনি তাই। লিটন ওর ভূমিকাটা পালন করেছে, সে এক দিক থেকে উইকেট যেতে দেয়নি বলেই আমরা ম্যাচে ছিলাম। না হলে আরও আগেই ছিটকে যেতাম।

default-image

তবে মুশফিক ও লিটনের জুটির সময় বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। ওরাও মিসের লড়াইয়ে পাল্লা দিয়েছে আমাদের সঙ্গে। তবে এ দুজনের জুটির সময় মনে হচ্ছিল, সহজেই জিতব। অনেক দূরে গিয়েও হারতে হলো কিছু বাজে ভুলের কারণে। মুশফিকের জায়গায় ভারতের মতো দলের কোনো সিনিয়র ব্যাটসম্যান হলে হয়তো এ ভুলটা করত না। এ শট খেলে বারবার আউট হচ্ছে। আমার মতে, ম্যাচের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট ওর উইকেটই। কারণ, মুশফিকের মতো ব্যাটসম্যানের উপস্থিতিই প্রতিপক্ষের জন্য একটা হুমকি।

লিটন তার সেরাটা দিয়েই চেষ্টা করেছে। লিটন আজ দেখিয়ে দিয়েছে, মাথা ঠিক রেখে কতটা সুন্দর খেলা যায়। শেষে গিয়ে চাপে পড়েই ওই শটটা খেলতে হয়েছে। ওর দুর্ভাগ্য, অমন লম্বা ফিল্ডারের কাছেই গেছে ক্যাচটা। এর আগে মিস করলেও হোল্ডার ক্যাচটা দুর্দান্ত নিয়েছে। তবে লিটন তেমন সহায়তা পেল না কারও। সৌম্য করতে পারত, মুশফিক পারত—সবাই ইম্প্রোভাইজ করতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনল।

default-image

বাংলাদেশ অনেক চাপ নিয়ে খেলেছে। সুযোগ এসেছিল। লড়াই করেছি। তবে ওদের অভিজ্ঞতা ও বিচক্ষণতার কাছে হেরে গেলাম। যে দুই ওভার ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেবে, সে দুটিই দুর্দান্ত করেছে ব্রাভো ও রাসেল। ক্যাচ পড়েছে, কিন্তু স্নায়ুর লড়াইয়ে পিছিয়ে যায়নি। আইপিএল বা ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে এমন পরিস্থিতিতে খেলার অভিজ্ঞতা কাজে এসেছে তাদের। পার্থক্য এখানেও, মোস্তাফিজও আইপিএল খেলেছে। তবে শেষে সে অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারেনি। আর শেষ বলটার আগে হয়তো মাহমুদউল্লাহ আরেকটু সময় নিতে পারত, তবে রাসেলের সঙ্গে মানসিক লড়াইয়েই গেল না। খুবই দুর্ভাগ্যজনক, এ ম্যাচটাও ওদের জিততে দিলাম।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন