বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কয়েক দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন জালাল আহমেদ। হাসপাতাল থেকে একবার ছাড়া পেলেও আবার ভর্তি হতে হয় তাঁকে। ফুসফুসের সংক্রমণে তাঁকে নিতে হয় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ)। সেখান থেকেই তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

default-image

জালাল আহমেদ চৌধুরীকে স্মরণ করে বাংলাদেশের ইতিহাসের সফলতম অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা লিখেছেন, ‘যাঁদের হাত ধরে ক্রিকেটজীবন শুরু করা, তাঁদের বিদায়গুলো এভাবে দেখা খুবই কঠিন। স্যার, আপনার অধীনে খেলা, আপনার আদেশ, ড্রেসিংরুমে আপনার স্থির থাকা, আপনার লেখা—সবকিছুই এখন স্মৃতি হয়ে গেল। বাংলাদেশ ক্রিকেটে আপনার অবদান যাঁরা দেখেছেন, তাঁরা আজীবন মনে রাখবেন। অসংখ্য খেলোয়াড়ের গুরু ছিলেন আপনি, আর হয়েও থাকবেন। ওপারে ভালো থাকবেন স্যার। আল্লাহ আপনাকে জান্নাতবাসী করুন। আমিন।’

লিটন দাস লিখেছেন, ‘জাতীয় ক্রিকেট কোচ ও প্রখ্যাত ক্রিকেট লেখক জালাল আহমেদ চৌধুরীর সংবাদটা শুনে খারাপ লাগছে। শান্তিতে ঘুমান।’

শোক জানিয়েছেন সাকিব আল হাসানও, ‘বাংলাদেশের অন্যতম ক্রিকেট লেখক ও স্বনামধন্য কোচ জালাল আহমেদ চৌধুরীর পরলোকগমনে আমরা গভীরভাবে মর্মাহত।’

জাতীয় দলের সাবেক ওপেনার শাহরিয়ার নাফিস লিখেছেন, ‘আমাদের প্রিয় কোচ জালাল আহমেদ চৌধুরী স্যার আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আল্লাহ তাঁর আত্মাকে ক্ষমা করুন। আমিন।’

জালাল আহমেদ চৌধুরীর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে বিসিবি। শোক জানিয়েছে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব, সাংবাদিকদের সংগঠন বিএসজেএ ও বিএসপিএ।

আজ বিকালে জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে দেশবরেণ্য এই ক্রীড়াব্যক্তিত্বকে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন