বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এক প্রান্তে বাকিরা—আন্দ্রে ফ্লেচার (১৬ বলে ১২), গেইল (৭ বলে ২১)—আসা-যাওয়া করতে থাকলেও আরেক প্রান্তে ঝড় তুলে যাচ্ছিলেন এভিন লুইস।

মাত্র ২৩ বলে ফিফটি করেছেন, শেষমেশ লুইস-ঝড় থেমেছে ৭৯ রানে। ৩৪ বলের এ ইনিংসে ৪টি চারের পাশাপাশি ছক্কা ছিল ৯টি। লুইস যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ অনায়াসে ২০০ পেরিয়ে যাবে, এমনটাই মনে হচ্ছিল।

কিন্তু শেষমেশ ‘ডেথ ওভার’–এ অ্যান্ড্রু টাইয়ের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ২০০ পেরোনো হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজের। নিকোলাস পুরান (১৮ বলে ৩১), আন্দ্রে রাসেল (৩ বলে ১) ও ড্যারেন ব্রাভোরা (৭ বলে ৫) তেমন কিছু করার আগেই তাঁদের ড্রেসিংরুমে ফিরিয়ে দেন টাই (৩-৩৭)।

default-image

শেষ ৩০ বলে মাত্র ৩০ রান তুলতে পারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৮ উইকেটে ১৯৯ রানে থেমেছে তাদের ইনিংস।

তাড়া করতে নেমে প্রথমে জশ ফিলিপের উইকেট হারালেও দুর্দান্ত ব্যাটিং করছিল অস্ট্রেলিয়া। এই সিরিজে মিচেল মার্শকে তিন নম্বরে খেলানোর যৌক্তিকতা এই ম্যাচেও প্রমাণিত হয়েছে। মার্শ (১৫ বলে ৩০), মোজেস হেনরিকেস (১৪ বলে ২১) আর অধিনায়ক ফিঞ্চের (২৩ বলে ৩৪) কল্যাণে ৯.২ ওভারেই ৯৫ তুলে ফেলে অস্ট্রেলিয়া।

কিন্তু এই তিনজনকে দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে আউট করে ম্যাচে ফিরে আসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বিশেষ করে হেইডেন ওয়ালশের বলে ফিঞ্চকে যেভাবে অনেকটা দৌড়ে এসে ঝাঁপিয়ে এক হাতে মুঠোবন্দী করেছেন ফাবিয়ান অ্যালেন, ক্যাচটা দীর্ঘদিন মনে থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের। এই তিন আউটের পর আর সেভাবে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া।

শেষে ম্যাথু ওয়েড (১৮ বলে ২৬), টাই (৮ বলে ১৫) আর মিচেল সোয়েপসন (১২ বলে ১৪) একটু চেষ্টা করলেও তা উইন্ডিজের জয়ের অপেক্ষাই বাড়িয়েছে। ৯ উইকেটে ১৮৩ রানে থেমেছে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস।

একাদশ নিয়ে অতিরিক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার মাশুল গুণেছে অ্যারন ফিঞ্চের দল। তিন উইকেটরক্ষক ওয়েড, ফিলিপে ও ক্যারি এই ম্যাচেও খেলেছেন একসঙ্গে। ফলে অস্ট্রেলিয়ার এক নম্বর উইকেটরক্ষক কে, সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মিচেল মার্শকে তিন নম্বরে খেলানোর সিদ্ধান্ত সফল হলেও ডেভিড ওয়ার্নার ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের মতো খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতি ভুগিয়েছে তাঁদের।

ম্যাচসেরা হয়েছেন এভিন লুইস, সিরিজ সেরা হেইডেন ওয়ালশ।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন