default-image
>

করোনাভাইরাস নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান সরকারের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করলেন ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে নিরাপদ থাকতে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজ বাতিল হয়েছে। একটি ওয়ানডে খেলার পরই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ডেভিড ওয়ার্নার-অ্যারন ফিঞ্চদের এখন সাবধান থাকতে হচ্ছে। তবে করোনা আতঙ্কের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়া সরকারের একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অস্ট্রেলিয়ার এ দুই ওপেনার।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন এ সপ্তাহের শুরুতে বলেছেন, বাইরে থেকে অস্ট্রেলিয়ায় আসা সবাইকে ১৪দিনের জন্য সবকিছু থেকে নিজেদের আলাদা রাখতে হবে (সেলফ-আইসোলেশন)। এটির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, ভাইরাসটি যাতে না ছড়ায় এবং আলাদা থাকা ব্যক্তিটি সুস্থ হয়ে উঠতে যেন সঠিক পরিচর্যা ও চিকিৎসা পান। এ ব্যবস্থা তাদের জন্য যারা হয়তো ইতিমধ্যে ভাইরাসে আক্রান্ত কিংবা লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করেছে। ভাইরাসটির বিস্তার রোধে তাদের সবকিছু থেকে পৃথক রাখা হয় কিংবা ব্যক্তি চাইলে নিজেই আইসোলেশনে চলে যেতে পারেন।

default-image

মরিসনের এ সিদ্ধান্তকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন ভেরোনিকা এগলেটন নামে এক সংবাদকর্মী। তাঁর টুইট, ‘মৌলিক প্রশ্ন—সরকার জানবে কীভাবে যারা আসছে তারা বাস্তবিক অর্থেই নিজেদের পৃথক রাখছে?’ এগলেটনের এ টুইটকে রি-টুইট করে ফিঞ্চ লিখেছেন, ‘ঠিক এ কথাটাই ভাবছিলাম!’ ফিঞ্চের এ মন্তব্যের জবাবে ওয়ার্নার লেখেন, ‘কিংবা তারা বিমানবন্দর থেকে উবার/ট্যাক্সি/বাস/ট্রেন ধরে যে নিজেদের জায়গায় যাবে, সে ব্যাপারে কী হবে?’

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী মরিসন শুক্রবার বলেন, একসঙ্গে ৫০০-র বেশি মানুষ জমায়েত হওয়া যাবে না। তবে প্রধানমন্ত্রী নিজে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাগবি ম্যাচ দেখতে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। অস্ট্রেলিয়ায় এ পর্যন্ত ১৫৬জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, মৃতের সংখ্যা তিনজন।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন