বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমকে পন্টিং বলেন, ‘গত তিন ম্যাচে যা দেখেছি, আমার মনে হয় না অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এত বাজে খেলা (ইংল্যান্ড) দল দেখেছি। আমরাও এমন বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে গেছি। কয়েক বছর আগে ফিরে তাকালে দেখবেন, আমরাও ইংল্যান্ডে ভুগেছি। কন্ডিশন ও বল পাল্টেছি আমরা, কারণ ওই (ইংল্যান্ডে) কন্ডিশনে আমরা বাজে পারফর্ম করেছিলাম।’

default-image

২০০০ থেকে ২০১০–এর দশকে অ্যাশেজ সফরে ধারাবাহিকভাবে বাজে পারফরম্যান্সের পর নিজেদের ঘরোয়া ক্রিকেটে ডিউক বলে খেলা চালু করে অস্ট্রেলিয়া। ইংলিশ কন্ডিশনে এ বল ব্যবহার করা হয়। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পারফরম্যান্স প্রধান প্যাট হাওয়ার্ডের মস্তিষ্কপ্রসূত এ কৌশল ২০১৯ অ্যাশেজ সফরে কাজে লাগে অস্ট্রেলিয়ার।

সিরিজ জিততে না পারলেও ড্র করে ২-২ ব্যবধানে। অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে সাধারণত কুকাবুরা বল ব্যবহার করা হতো। ইংল্যান্ডকে ঠিক একই বুদ্ধি দিলেন পন্টিং।

‘আমাদের কন্ডিশনের সঙ্গে কীভাবে মানিয়ে নেওয়া যায়, ইংল্যান্ড তা নিয়ে ভাবতে পারে। ইংল্যান্ডের মাটিতে তারা ভালো কিন্তু এখানে (অস্ট্রেলিয়া) ভালো করতে পারে না। তাই আমার মনে হয় কুকাবুরা বলে তাদের বেশি বেশি খেলা উচিত। উইকেট আরেকটু সমান করা উচিত যেন সুইং ও সিম মুভমেন্ট কম হয়। ব্যাটসম্যানরা যেন দীর্ঘ সময় ব্যাট করতে পারে। তিন-চার বছর আগে অস্ট্রেলিয়া যে কৌশলে চলেছে, এটাও তেমনই’—বলেন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ এ রানসংগ্রাহক।

অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে গত কয়েকটি সফর মিলিয়ে ইংল্যান্ডের টপ অর্ডারে ব্যাটসম্যানদের খেলার কৌশলেরও সমালোচনা করেন পন্টিং, ‘নাম বলব না তবে গত কয়েকটি সফরে ইংল্যান্ডের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের দেখেছি, তারা যে কৌশলে ব্যাট করেছে সেটি টেস্ট মানের না। চ্যালেঞ্জিং কন্ডিশনে বিশ্বমানের বোলারদের বিপক্ষে মানহীন কৌশল নিয়ে ব্যাট করলে ভুগতেই হবে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন