ভেলোসিটির হয়ে দারুণ বল করেছেন জাহানারা
ভেলোসিটির হয়ে দারুণ বল করেছেন জাহানারা ছবি: টুইটার

প্রায় ৮ মাস পর খেলতে নেমেছেন জাহানারা আলম। পেসার হওয়ায় দ্রুত ছন্দে ফেরা সহজ ছিল না। খাটো লেংথ ও ফুল টস পড়েছে দু–একটি, গতিও ছিল স্বাভাবিকের চেয়ে কম। কিন্তু জাহানারা অভিজ্ঞ বলেই হয়তো সামলে নিতে জানেন। তাতে সবচেয়ে লাভ হয়েছে তাঁর দল ভেলোসিটির।

বিজ্ঞাপন
default-image

শারজায় মেয়েদের আইপিএলখ্যাত উইমেন টি–টোয়েন্টি চ্যালেঞ্জে সুপারনোভাসকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে ভেলোসিটি। এই জয়ে বাংলাদেশ নারী দলের পেসারের ভূমিকাও ছিল ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। সুপারনোভাসের সর্বোচ্চ দুই স্কোরারকে তুলে নিয়েছেন জাহানারা।

৪ ওভারে ২৭ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন জাহানারা। সুপারনোভাসের ইনিংসে দ্বিতীয় ওভারে তাঁর হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক মিতালী রাজ। চতুর্থ বলটা ফুল টস দিয়ে চার না হজম করলে জাহানারার বোলিং বিশ্লেষণ আরও ভালো হতে পারত।

default-image

চারটি স্পেলে তাঁকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বল করিয়েছেন ভেলোসিটি অধিনায়ক। ১০ম ওভারে বল করতে এসে প্রথম ডেলিভারিটাই ছিল খাটো লেংথের। চার হজম করলেও বাকি ডেলিভারিগুলোয় ছিলে চাতুর্যের ছোঁয়া। সতীর্থ পেসারদের মধ্যে সুইং পেয়েছেন সবচেয়ে বেশি (১.৯ ডিগ্রি)।

ইনিংসের ১৪তম ওভারে এসে প্রথম বলেই উইকেট পেয়ে যান জাহানারা। তাঁর মাপা লেংথের বল তুলে মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন সুপারনোভাসের সর্বোচ্চ স্কোরার চামারি আতাপাত্তু (৪৪)।

বিপজ্জনক হারমানপ্রীত কৌরকে ফিরিয়েছেন নিজের শেষ ওভারে। উইকেট টু উইকেট বল করায় হারমনপ্রীত একটু সরে এসে ফাইন লেগ দিয়ে তুলে মারতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ঠিকমতো লাগাতে না পারায় আকাশে ক্যাচ তুলে আউট হন হারমনপ্রীত (৩১)। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ১২৬ রানে থেমেছে সুপারনোভাসের ইনিংস।

বিজ্ঞাপন

তাড়া করতে নেমে কোনো রান তোলার আগেই ড্যানি ওয়াটকে হারায় ভেলোসিটি। তৃতীয় ওভারে শেফালি ভার্মা (১৭) ও নবম ওভারে মিতালী রাজও (৭) ফিরে গেলে বিপদে পড়ে দলটি। তখন দলের স্কোর ৩ উইকেটে ৩৮। বেদা কৃঞ্চমূর্তি ও সুষমা ভার্মার ২৭ রানের জুটিতে বিপর্যয় এড়ায় ভেলোসিটি।

শেষ দিকে সানি লুসের ২১ বলে ৩৭ রানের অপরাজিত ইনিংসে জয় তুলে নেয় তারা। জয়ের জন্য শেষ ওভারে ৯ রান দরকার ছিল ভেলোসিটির। লুস ওই ওভারে দুটি চার মেরে ম্যাচটি সহজ করে ফেলেন। ভেলোসিটির হয়ে ৩৩ বলে সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেন সুষমা ভার্মা।

মন্তব্য পড়ুন 0