বিজ্ঞাপন

পিটারসেন তাঁর টুইটারে লিখেছেন, ‘আইপিএলের সূচি নতুন করে তৈরি হলে ইসিবি তারকা ক্রিকেটারদের না ছাড়ার ব্যাপারটি কীভাবে সামলায়, দেখার বিষয় এখন সেটিই। আমি যখন ইংল্যান্ড ক্রিকেটের বিরুদ্ধে গিয়েছিলাম, তখন আমি ছিলাম একা। এবার কিন্তু সেরা সব ক্রিকেটারদের সামলাতে হবে। ওরা যদি এক সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেয় আইপিএল খেলবেই, তাহলে কিন্তু তারা খেলবেই।’

ভারতে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার পরেও আইপিএল চলছিল। সেটি নিয়ে গোটা ভারত তো বটেই, বিশ্বের অনেক জায়গাতেই ছিল তীব্র সমালোচনা। তবে আইপিএলের জৈব সুরক্ষাবলয়কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে করোনা যখন ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোতেই হানা দেওয়া শুরু করল, তখন আইপিএল স্থগিত করে দিতে বাধ্য হয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। ব্যাপারটি নিশ্চয়ই কোনো ক্রিকেটারের জন্যই সুখকর কিছু নয়।

default-image

ক্রিকেটাররা এখন উন্মুখ, আবার কবে আইপিএলের বাকি অংশটুকু হবে। আগামী সেপ্টেম্বরে একটা সময় বের করে আইপিএলের বাকি অংশের ম্যাচ আয়োজনের ইঙ্গিত থাকলেও কিছুদিন আগে বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী সোজাসাপ্টা জানিয়ে দিয়েছেন, করোনা না গেলে ভারতের মাটিতে আর কোনো ক্রিকেট আয়োজনই সম্ভব নয়, এমনকি তিনি আগামী অক্টোবরে ভারতে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভবিষ্যৎ নিয়েও নিজের শঙ্কার কথা গোপন রাখেননি।

আইপিএলের ইংলিশ ক্রিকেটাররা প্রায় প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আট দলের চারটিতেই আছেন ইংল্যান্ড দলের শীর্ষ তারকা ক্রিকেটাররা। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক এউইন মরগান আইপিএলে তাঁর ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইটরাইডার্সেরও অধিনায়ক। এ ছাড়াও রাজস্থান রয়্যালসের জস বাটলার আর বেন স্টোকস, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জনি বেয়ারস্টোদের বাদ দিয়ে আইপিএলের ম্যাচে মাঠে নামতে চাইবে তাঁদের দল।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন