আইসিসির ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে জায়গা করে নিয়েছে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের উঠান ক্রিকেট।
আইসিসির ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে জায়গা করে নিয়েছে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের উঠান ক্রিকেট। ছবি: আইসিসি

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নয়। বাড়ির আঙিনার ক্রিকেট, গলির ক্রিকেট, রাস্তার ক্রিকেট, খেতখামারের ক্রিকেট, শৌখিন ক্রিকেট। আইসিসির ওয়েবসাইটের ফটো গ্যালারিতে এমন সব ছবিই জায়গা পায়। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধারণ ক্রিকেটপ্রেমীরাই তুলে পাঠান সেসব ছবি। ছবি পাঠান বাংলাদেশের শৌখিন আলোকচিত্রীরাও। মাঝেমধ্যে সেসব ছবি জায়গাও করে নেয় আইসিসির ওয়েবসাইটে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের সে রকম দুটি ছবি আইসিসি তাদের ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছে। একটি ছবি বাংলাদেশের লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার। ছবিটি আইসিসি পোস্ট করেছে গত পরশু রাত ১১টার দিকে। লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থেকে প্রথম আলোর প্রতিনিধি জানান, আলোকচিত্রী শফিউল বশীরের তোলা ছবিটি আইসিসি ফেসবুকে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রামগঞ্জের মানুষ আনন্দে ভেসে যেতে শুরু করে। আইসিসির ফেসবুক পেজে মন্তব্য করতে শুরু করে, দিতে থাকে ‘লাইক’। অনেকেই ছবিটি নিজেদের ফেসবুক পেজেও ‘শেয়ার’ দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন
default-image

ছবিতে দেখা যায়, একটি বড় গাছকে স্টাম্প বানিয়ে তার সামনে হাতে বানানো কাঠের ব্যাট দিয়ে ব্যাটিং করছে এক শিশু। অন্য প্রান্তে দুটি লাঠি পোঁতা, সেগুলো স্টাম্প। আর মাঠ হলো বাড়ির আঙিনা। সেখানেই মনের আনন্দে ক্রিকেট খেলছে তারা। করোনার কারণে আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেট এখন দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হলেও এই দুই শিশুর ক্রিকেটে দর্শক ছিল। ঘরের সামনে সিমেন্টের তৈরি আসনে বসে খুব আয়েশি ভঙ্গিতে খেলা দেখা সেই দর্শকও এক শিশু।

ছবিটির ক্যাপশনে আলোকচিত্রী লিখেছেন, ‘একটু আনন্দ।’ নিজেদের এলাকার এই ছবি আইসিসির ফেসবুক পেজে দেখে রোমাঞ্চিত রামগঞ্জের মানুষ। আরিফুল ইসলাম নামের একজন ছবিটির নিচে মন্তব্য করেছেন, ‘আমি সত্যিই গর্বিত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) তাদের ফেসবুক পেজে আমাদের লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের একটি বাড়িতে ক্রিকেট খেলার ছবি পোস্ট করেছে।’

default-image

সুমা মনি নামের আরেকজন তো বলেছেন, ছবির জায়গাটি তাঁদেরই বাড়ির। তাঁর মন্তব্য, ‘এটা আমাদের বাড়ি। একটা শিশু রাফসান, আরেকটা সফিকুল। সফিকুল মাদ্রাসায় পড়ালেখা করে।’ এ প্রতিবেদন লেখার সময় ছবিটিতে লাইক বা ইমোজি পড়েছে ১ লাখ ৮ হাজারটি। ছবিটিতে মন্তব্য এসেছে ৫ হাজার ২০০ জনের। আর শেয়ার হয়েছে ২ হাজার ৮০০ বার।

আইসিসির ফেসবুকে কক্সবাজারের একটি ছবিও পোস্ট হয়েছে। একটি গলির মধ্যে তিনজন ক্রিকেট খেলছেন স্টাম্প ছাড়াই। ছবিটির আলোকচিত্রী নাজমুল হুদা ক্যাপশন দিয়েছেন, ‘কোনো স্টাম্প নেই। গলির ক্রিকেট।’

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন