আগে ব্যাটিং করতে না পারার আক্ষেপ মুমিনুল হকের।
আগে ব্যাটিং করতে না পারার আক্ষেপ মুমিনুল হকের।ছবি: এএফপি

এমন উইকেটে আগে ব্যাটিং করা গেল না! টস নিয়েই তাই মুমিনুল হকের যত আক্ষেপ। তিনি মনে করেন, এ উইকেটে টসে জিতে ব্যাটিং করা গেলে গল্পটা অন্য রকম হতে পারত, ‘এই উইকেটে আগে ব্যাটিং করা গেলে গল্পটা অন্য রকম হতে পারত। আজ হয়তো ওরা আমাদের জায়গায় থাকত। আমরা ওদের জায়গায় থাকতাম। এসব উইকেটে খুব বেশি স্পিনার লাগে না। দুজন স্পিনারই যথেষ্ট।’

বাংলাদেশের জন্য অবশ্য শ্রীলঙ্কার অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার প্রাভিন জয়াবিক্রমাই যথেষ্ট ছিলেন। পাল্লেকেলেতে দুই ইনিংস মিলিয়ে তিনি নিয়েছেন ১১ উইকেট। অভিষেকে শ্রীলঙ্কার হয়ে সেরা বোলিং এখন এই তরুণ স্পিনারের। সর্বশেষ টেস্ট সিরিজে কাইল মেয়ার্সের অবিশ্বাস্য ইনিংসের কাছে চট্টগ্রাম টেস্ট হেরেছিল বাংলাদেশ। এবার শ্রীলঙ্কার মূল স্পিনার লাসিথ এম্বুলডেনিয়া চোটে পড়ায় সুযোগ পেয়ে এক জয়াবিক্রমাই বাংলাদেশকে হারিয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন ক্রিকেটারদের কাছে বাংলাদেশের ধরাশায়ী হওয়ার এমন আরও অনেক উদাহরণ আছে। মুমিনুল অবশ্য আজ এর একটা ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘নতুন এলে একটা সুবিধা থাকে। এটা আমার ক্ষেত্রেও ছিল। নতুন যারা আসে, প্রথম এক-দুই ইনিংস তাদের ক্ষেত্রে একটু ধারণা কম থাকে।’

default-image
বিজ্ঞাপন

তবে মুমিনুলের মতে, এই টেস্টে হারের মূল কারণ প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতা, ‘আমরা এই টেস্টটি প্রথম ইনিংসেই ২৫০ রানে গুটিয়ে গিয়ে গেরে গিয়েছি। আমাদের আরও ভালো ব্যাটিং করা উচিত ছিল।’

সিরিজ হারলেও শ্রীলঙ্কা সফর থেকে বাংলাদেশের ‘প্রাপ্তিযোগ’ অনেক বলছেন মুমিনুল। সেটির একটা লম্বা তালিকাও দিয়েছেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক, ‘সিরিজ হেরেছি, তার মানে এই না যে সবকিছু হেরে গিয়েছি। আমি জানি, সমালোচনা হবে। এর ভেতরেও অনেক ইতিবাচক দিক আছে। আমি চাচ্ছিলাম দলগতভাবে খেলাটা খেলব। প্রথম টেস্টের ব্যাটিংয়ে সেটি হয়েছে। সবশেষ দু–তিনটা টেস্টে তো তেমন কিছু হয়নি। আমরা তখনই ভালো খেলি, যখন সম্মিলিতভাবে ভালো খেলি। তামিম ভাইয়ের দুইটা ৯০ আছে, একটা ৭০ আছে। শান্তর (নাজমুল হোসেন) ১৬০ আছে। মুশফিক ভাই, লিটনের ফিফটি আছে। আমাদের কোনো পেসার ওইভাবে কিছু করতে পারছিল না। সেদিক থেকে তাসকিন আগের চেয়ে অনেক উন্নতি করেছে। আমার কাছে মনে হয় এই সিরিজে অনেক প্রাপ্তি, ইতিবাচকতা আছে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন