default-image

মাত্র একটা দিন! সারা জীবন হয়তো এই একটা দিনের আফসোস করতে হবে সাঈদ আজমলকে। বিশ্বকাপের প্রাথমিক দলে ছিলেন। কিন্তু অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের দায়ে নিষেধাজ্ঞার কারণে পাকিস্তানের চূড়ান্ত দলে সুযোগ পেলেন না। সেই নিষেধাজ্ঞা উঠে গেল আজ। অথচ গতকাল পর্যন্ত বিশ্বকাপ দলে ঠাঁই পাওয়ার সুযোগ ছিল ৩৭ বছর বয়সী অফস্পিনারের।
সুযোগ ছিল বলতে, জুনায়েদ খানের চোট একটা ক্ষীণ আশা জাগিয়েছিল আজমলকে। তবে তার আগে প্রয়োজন ছিল আইসিসির সবুজসংকেত। সেটিও হলো। গত মাসে চেন্নাইয়ে দেওয়া পরীক্ষার ফল ঘোষণা হলো আজ। তাতে আজমলের অ্যাকশন বৈধ বলে রায় দিয়েছে আইসিসি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে আর কোনো বাধা নেই। তা না হয় ফিরবেন, কিন্তু সেই ফেরাটা বিশ্বকাপেই হবে তো?
এ নিয়ে দুই ধরনের খবর মিলছে। আজমলের বিশ্বকাপ খেলা প্রসঙ্গে পিসিবির চেয়ারম্যান শাহরিয়ার খান বলেছেন, ‘আমরা সাঈদের বোলিং পরীক্ষার ফলের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। আমি নির্বাচক কমিিটকে বলেছিলাম, একটি দিনের জন্য অপেক্ষা করতে। সাঈদের পরীক্ষায় কী আসে সেটি দেখতে। সে যদি ছাড়পত্র পায়, তবে জুনায়েদের জায়গায় তাকে বিবেচনা করা যেতে পারে।’ কিন্তু পাকিস্তান দলের নির্বাচকেরা এরই মধ্যে জুনায়েদের জায়গায় রাহাত আলীকে নিয়ে ফেলেছেন। গতকাল রাহাতের অন্তর্ভুক্তির আবেদনটি অনুমোদনও করে দিয়েছে আই​িসসি।
তাহলে কি আজমলের বিশ্বকাপ খেলার কোনো সম্ভাবনা নেই? পিসিবির সিনিয়র মিডিয়া ম্যানেজার রাজা কিসলু জানালেন, বিষয়টি এখন অসম্ভবই বলা চলে। তবে তাঁরা অপেক্ষা করছেন এ ব্যাপারে আইসিসি টেকনিক্যাল কমিটি কী বলে, তার ওপর। রাজা বললেন, ‘১৫ দলের স্কোয়াড এরই মধ্যে পূর্ণ হয়ে গেছে। কেউ যদি চোটগ্রস্ত হয়, তবে আইসিসি টেকনিক্যাল কমিটি বদলি খেলোয়াড় নেওয়ার অনুমতি দেবে। সেক্ষেত্রে নির্বাচকেরা অবশ্যই সুযোগের সদ্ব্যবহার করবেন। তবে এর বাইরে চিন্তা করলে আজমলের বোলিং অ্যাকশনের বৈধতা নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য সুখবর।’ তবে ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বকাপ খেলার অাশা ছাড়েননি আজমল। কারও চোটের কারণে দলে সুযোগ পেলেও পেতে পারেন। লাহোরে আজ সাংবাদিকদের বললেন, ‘দলের জরুরি প্রয়োজন হলে আমাকে বিশ্বকাপে দেখা যেতে পারে। তবে সংশোধিত অ্যাকশন ও নতুন ডেলিভারি নিয়ে আমি আরও কাজ করতে চাই।’  তথ্যসূত্র: রয়টার্স, ডন ও ক্রিকেটনেক্সট।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন