বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সর্বশেষ চেয়ারম্যান এহসান মানির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর রমিজকে মনোনীত করেছিলেন পিসিবির পৃষ্ঠপোষক ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। গত ২৭ আগস্ট রমিজের সঙ্গে আসাদ আলী খানের নামও প্রস্তাব করেন ইমরান। তবে আসাদের নামটা ছিল শুধুই আনুষ্ঠানিকতা।

default-image

পাকিস্তানের হয়ে ২৫৫টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন রমিজ। দলটির ১৮তম টেস্ট ও ১২তম ওয়ানডে অধিনায়ক ছিলেন তিনি। এর আগে ২০০৩-০৪ মেয়াদে পিসিবির প্রধান নির্বাহীর দায়িত্বও পালন করেন। বর্তমানে এমসিসির ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটিরও সদস্য তিনি। খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার শেষের প্রায় পর থেকেই সম্প্রচারক হিসেবে কাজ করেছেন সাবেক এ ব্যাটসম্যান। পাকিস্তানের ম্যাচে ধারাভাষ্যকার হিসেবে নিয়মিত কণ্ঠ তিনি।

জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার হিসেবে পিসিবির চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব নেওয়া চতুর্থ ব্যক্তি হলেন রমিজ। এর আগে পাকিস্তানের দুই ভূমিকাতেই ছিলেন প্রথম টেস্ট অধিনায়ক আবদুল হাফিজ কারদার (১৯৭২-৭৭), জাভেদ বুরকি (১৯৯৪-৯৫) ও ইজাজ বাট (২০০৮-১১)।

নির্বাচিত হওয়ার পর পিসিবির বোর্ড অব গভর্নর্সকে রমিজ বলেছেন, ‘পিসিবির চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করায় আমি আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। মাঠে ও মাঠের বাইরে পাকিস্তান ক্রিকেটকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে আপনাদের সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে আছি।’

default-image

দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজের কর্মপরিকল্পনা নিয়েও ইঙ্গিত দিয়েছেন রমিজ রাজা, ‘পাকিস্তানের ছেলেদের দলে একটা ভারসাম্যপূর্ণ সংস্কৃতি, মানসিকতা, আচরণ গড়ে তোলার দিকে অন্যতম বড় নজর থাকবে আমার। এসবই একসময় পাকিস্তানকে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ক্রিকেট জাতি হিসেবে গড়ে তুলেছিল। সংগঠন হিসেবে জাতীয় দলকে পুরো সমর্থন দিতে হবে আমাদের, সহায়তা করতে হবে। তারা যেন দর্শকের কাঙ্ক্ষিত ব্র্যান্ডের ক্রিকেটটা খেলতে পারে।’

আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেওয়ার আগেই অবশ্য পাকিস্তান ক্রিকেটে এক দফা পালাবদল হয়ে গেছে। প্রধান কোচ মিসবাহ-উল-হক ও বোলিং কোচ ওয়াকার ইউনিস দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন। জৈব সুরক্ষাবলয়ে লম্বা সময় থাকার চ্যালেঞ্জ নিতে চান না, দায়িত্ব ছাড়ার সময় মিসবাহ এমন বললেও এর পেছনে ‘ভূমিকা’ আছে রমিজেরও। পাকিস্তানের সদ্য সাবেক এই প্রধান কোচের প্রকাশ্যে সমালোচনা করে এসেছেন রমিজ।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন