default-image

২০০৭ সালের এপ্রিলে অভিষেকের পর থেকে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ১২৩টি ওয়ানডে ও ১০১টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন পোলার্ড। ২০১৯ সালে সীমিত ওভারের অধিনায়কত্ব দেওয়া হয় তাঁকে। ওয়ানডেতে ২ হাজার ৭০৬ রান করার সঙ্গে ৫৫টি উইকেট নিয়েছেন পোলার্ড। টি-টোয়েন্টিতে ১৫৬৯ রানের পাশাপাশি ৪২টি উইকেট নিয়েছেন।

২০২১ সালে শ্রীলঙ্কার আকিলা দনাঞ্জয়াকে টি-টোয়েন্টিতে এক ওভারে ছয়টি ছক্কা মেরেছিলেন পোলার্ড। হার্শেল গিবস ও যুবরাজ সিংয়ের পর মাত্র তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ছয় ছক্কার কীর্তি আছে তাঁর।

অভিষেকের কথা এখনো স্পষ্ট মনে আছে তাঁর, ‘২০০৭ সালে আমার ছেলেবেলার নায়ক, ব্রায়ান লারার নেতৃত্বে আমার আন্তর্জাতিক অভিষেকের কথা এখনো স্পষ্ট মনে করতে পারি। কিংবদন্তিদের পাশে খেলা, মেরুন রং পরা—এসবকে হালকাভাবে নিইনি আমি। সেটি বোলিং, ব্যাটিং বা ফিল্ডিং, যা–ই হোক না কেন।’

বোর্ডের সঙ্গে দেনা-পাওনা নিয়ে ঝামেলার পর ভারত সফর থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল সরে যাওয়ার পর ২০১৪ সালে ওয়ানডে দল থেকে বাদ দেওয়া হয় পোলার্ডকে। ২০১৬ সালে দলে ফেরেন। তিন বছর পর সীমিত ওভারের অধিনায়কত্ব দেওয়া হয় তাঁকে। অধিনায়কত্বকে নিজের পাওয়া ‘সবচেয়ে বড় সম্মানের’ বলেছেন পোলার্ড।

সব সময় দারুণ সমর্থন পেয়ে এসেছেন বলেও জানিয়েছেন, ‘আরও অনেক খেলার মতোই এখানেও উত্থান-পতন ছিল। তবে সব সময়ই ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের সমর্থকদের সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়ে এসেছি। ভবিষ্যতেও আমাদের দলের সাফল্যের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি তারা বিশ্বস্ত সমর্থকের এ ভূমিকা পালন করে যাবে।’

পেশাদার ক্রিকেটারের জীবন কেমন, পোলার্ড মনে করিয়েছেন সেটিও, ‘মাঝে মাঝে পেশাদার ক্রিকেটার জীবনকে সবাই অনেক গ্ল্যামারের মনে করে। এমন একটা দিক আছে, কিন্তু আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একজন খেলোয়াড়কে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। ঘর এবং পরিবার থেকে দূরে থাকাটা সহজ নয়, তবে আমি সব সময়ই পরিবারের সমর্থন পেয়ে এসেছি।’

‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের জার্সিতে যাদের জায়গা করে দিচ্ছি, তাদের সমর্থন দিয়ে যাব সব সময়। অসীম কৃতজ্ঞতায় আমার স্বপ্নপূরণে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটকে স্যালুট জানাই।’

আইপিএল খেলতে এখন ভারতে আছেন পোলার্ড। ৬ ম্যাচ খেলার পরও জয়শূন্য তাঁর দল মুম্বাই ইন্ডিয়ানস।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন