বিজ্ঞাপন

করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়াতেই এ সিদ্ধান্ত। কয়েক সপ্তাহ ধরে ভারতে করোনার ঢেউ ভয়াবহ চেহারা ধারণ করেছে। প্রতিদিন গড়ে তিন হাজার মানুষ মারা যাচ্ছেন, আক্রান্ত হচ্ছেন তিন লাখের বেশি। মুম্বাই, দিল্লি, কলকাতা, বেঙ্গালুরুসহ ভারতের বড় শহরগুলোই করোনায় জেরবার। আইপিএলের ভেন্যুও এই শহরগুলোতেই।

এমন একটা পরিস্থিতিতে আইপিএল চালিয়ে যাওয়া নিয়ে ভারতজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা ছিল। অলিম্পিকে ভারতের হয়ে ব্যক্তিগত সোনাজয়ী শুটার আইএস বিন্দ্রা ক্ষোভের সঙ্গেই বলেছিলেন, আইপিএলের আয়োজকেরা অন্ধ হয়ে গেছেন। প্রথম কয়েক দিন আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোয় করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। কিন্তু গত দুদিনে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফ কোভিড পজিটিভ হন। প্রথমে পজিটিভ হন কলকাতা নাইট রাইডার্সের দুই ক্রিকেটার বরুণ চক্রবর্তী ও সন্দ্বীপ ভারিয়ের। এরপর চেন্নাই সুপার কিংসের বোলিং কোচ লক্ষ্মীপতি বালাজি ও দলটার বাসের পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কারণে চেন্নাই শিবিরেও করোনা আঘাত হানে। কিছুক্ষণ আগে জানা যায়, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের উইকেটরক্ষক ঋদ্ধিমান সাহা ও দিল্লি ক্যাপিটালসের স্পিনার অমিত মিশ্রও করোনা পজিটিভ হয়েছেন।

আট ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে চারটিতেই হানা দিয়েছে করোনা। বাকি চার ফ্র্যাঞ্চাইজির (রাজস্থান রয়্যালস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, পাঞ্জাব কিংস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ানস) সদস্যরা যে হবেন না, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই সন্দেহের সেই দোলাচলে না থেকেই আইপিএলই স্থগিত ঘোষণা করে দিল বিসিসিআই।

এদিকে টেলিগ্রাফ স্পোর্টসের ক্রিকেটবিষয়ক প্রধান রিপোর্টার নিক হল্ট ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের ভেঙ্কট কৃষ্ণ জানিয়েছেন, মুম্বাইতে আইপিএলের বাকি ম্যাচগুলো শেষ করার আলোচনা চলছে। সপ্তাহখানেকের মধ্যেই আইপিএল আবার শুরু হবে মুম্বাইতে।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন