default-image

বিশ্বকাপের তিন দিন হয়ে গেলেও বাংলাদেশের বিশ্বকাপ শুরু হতে এখনো দুদিন বাকি। আগামী পরশু মানুকা ওভালে বাংলাদেশের পরীক্ষার নাম আফগানিস্তান। আইসিসির সহযোগী এক দেশের বিপক্ষে টেস্ট খেলুড়ে বাংলাদেশের পরীক্ষা? হ্যাঁ, ‘পরীক্ষা’-ই বলতে হচ্ছে!

ওয়ানডেতে দুদলের মুখোমুখিতে যে আফগানিস্তান ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে। গত বছর ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপে আফগানরা বাংলাদেশকে হারিয়েছিল ৩২ রানে। একমাত্র মুখোমুখি লড়াইয়েই হার! বাংলাদেশের বিপক্ষে আফগানদের সাফল্য তো শতভাগ! পেছনে যা-ই হোক, এবার বিশ্বকাপে আফগানিস্তানকে হারাতে মরিয়া বাংলাদেশ।

সাম্প্রতিক সময়ে ফর্মে ফেরা মাহমুদউল্লাহ বললেন, ‘পরশুর ম্যাচটা নিয়ে আমরা আত্মবিশ্বাসী। এটি জিততে আমরা মুখিয়ে আছি। আশা করছি, প্রথম ম্যাচটা জিতে বিশ্বকাপটা ভালোভাবেই শুরু করতে পারব।’ আফগানদের বিপক্ষে পেছনের রেকর্ড কিংবা জয়ের অতিরিক্ত প্রত্যাশা কি বাংলাদেশ দলকে চাপে রাখবে না? ২৯ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার বললেন, ‘তাদের আমরা সম্মান করি। খুবই ভালো দল। তবে আমরা তাদের হারাতে সক্ষম। গত বছর এশিয়া কাপে আফগানিস্তান আমাদের হারিয়েছিল। ফলে তাদের সঙ্গে দারুণ প্রতিদ্ব​িন্দ্বতাই হবে।’ 

২০১১ বিশ্বকাপে চট্টগ্রামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দারুণ এক জয়ের মুহূর্তে মাহমুদউল্লাহ ছিলেন উইকেটে। একটা সময় জয়টা দূরেই চলে যাচ্ছিল। কিন্তু ৪২ বলে ২১ রানের সময়োচিত এক ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে ফিরেছিলেন মাহমুদউল্লাহ। সেই সুখস্মৃতি মনে করে বললেন, ‘ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জেতাটা ছিল দারুণ এক মুহূর্ত। ম্যাচের একটা সময় জিততে আমাদের েবশ কষ্টই হচ্ছিল। সেই কঠিন মুহূর্ত উতরে যাওয়াটা ছিল আমার জন্য বিশেষ কিছু।’

বাংলাদেশের এমন আরও অনেক সাফল্যের গল্প থাকলেও অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যমে আইসিসির অন্য সহযোগী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশকেও সম্বোধন করা হচ্ছে ‘মিনোস’ বা ‘দুর্বল দল’ বলে। একই সঙ্গে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, বাংলাদেশ কি পারবে এবার ‘অঘটন’ ঘটাতে? এমন প্রশ্নের জবাবে মাহমুদউল্লাহ বললেন, ‘আমি বলতে চাই না, আমরা অঘটন ঘটাতে যাচ্ছি। যদি সামর্থ্যের সর্বোচ্চ ঢেলে দিতে পারি, আমরা যে কাউকে হারাতে পারি।’ তথ্যসূত্র: সিডনি মর্নিং হেরাল্ড ও হেরাল্ড সান।

বিজ্ঞাপন
ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন