বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

নিউজিল্যান্ডের পাকিস্তান সফর বাতিলের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরই সরব হয়ে উঠেছে টুইটার। আফ্রিদি টুইটে লিখেছেন, নিরাপত্তার হুমকিটা নিছকই গুজব, ‘সব রকমের নিশ্চয়তা দেওয়ার পরও একটা গুজবের ওপর ভিত্তি করে তোমরা সফর স্থগিত করলে! নিউজিল্যান্ড, এর প্রভাব তোমরা বুঝতে পারছ?’

নিজের হতাশা লুকাতে পারেননি পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজমও, ‘হুট করে সিরিজ স্থগিতের এমন সিদ্ধান্তে খুবই হতাশ। এ সিরিজটা পাকিস্তানের কোটি ক্রিকেট–সমর্থকের মুখে হাসি ফোটাতে পারত। আমাদের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সামর্থ্য ও বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর পূর্ণ আস্থা আছে আমার। তাঁরা আমাদের গর্ব, সব সময়ই থাকবে।’

পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য নিরাপদ, সেটা মনে করিয়ে দিয়েছেন পেসার হাসান আলী, ‘এমন খবর পাওয়ার পর আমাদের সমর্থকেরা কেমন হতাশ হবেন, সেটা ভেবেই কষ্ট পাচ্ছি। বিশ্বকে আবারও বলতে চাই, আমাদের দেশ ক্রিকেটের জন্য নিরাপদ। আমাদের সমর্থকদের বলতে চাই, পাকিস্তান দল এমন দুঃখের সময়কে সুখের সময়ে পরিণত করবে ইনশা আল্লাহ।’

এর আগে করোনাভাইরাস শঙ্কায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ টেস্ট খেলেনি ভারত। তারও আগে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর বাতিল করে ইংল্যান্ড দল দেশে ফিরে এসেছিল। ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন বলছেন, শেষ মুহূর্তে সফর স্থগিতের এমন সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়বে ক্রিকেট বিশ্বের ওপরই, ‘পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য বিষয়টা লজ্জার। এভাবে শেষ মুহূর্তে সফর স্থগিতের সিদ্ধান্ত খেলাটার ওপর বড় আর্থিক প্রভাব ফেলবে। আশা করি নিরাপত্তার ব্যাপারটার সমাধান হবে, আবারও পাকিস্তানে ক্রিকেট ফিরবে।’

নিউজিল্যান্ড পেসার মিচেল ম্যাকলানাহান লিখেছেন, ‘পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড সিরিজে সংশ্লিষ্ট সবার জন্য খারাপ লাগছে অনেক। দারুণ একটা সিরিজ হতে পারত এটা।’ ক্রিকেটার ও সমর্থক—সবার জন্যই ব্যাপারটা দুঃখজনক বলে মনে করেন সাবেক কিউই অলরাউন্ডার গ্র্যান্ট এলিয়ট।

অন্যদিকে ভারতের ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলে বলছেন, ভবিষ্যতেও পাকিস্তান সফর করতে যাওয়া দলগুলোর ওপর প্রভাব ফেলবে এটা, ‘পাকিস্তান সফর স্থগিত করে নিউজিল্যান্ডের দেশে ফিরে যাওয়াটা অনেক বড় খবর। পাকিস্তানের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য খারাপ লাগছে। তবে নিরাপত্তার হুমকিজনিত ব্যাপার বলে অন্য দলের পাকিস্তান সফরের ওপরও প্রভাব ফেলবে এটা।’

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন