বিজ্ঞাপন

এমন উইকেটে টসে জিতে ব্যাটিং নিতে দ্বিধা করেননি টেলর। চেয়েছিলেন দলের তরুণ ব্যাটসম্যানরা যেন চাপমুক্ত ব্যাটিং করতে পারেন। কিন্তু এই বাংলাদেশি বোলিংয়ের সামনে সে সুযোগ খুব কমই পেয়েছে জিম্বাবুয়ে। যখন পেয়েছেন, তখন জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানরাই সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে ব্যর্থ।

এ ক্ষেত্রে বড় ভুলটা করেছেন অধিনায়ক টেলরই। তিনি অদ্ভুতুড়ে উপায়ে ওভাবে আউট না হলে জিম্বাবুয়ে হয়তো আরও কিছু রান পেত!

দারুণ ছন্দে থাকা তাসকিন আহমেদের নতুন বলে জিম্বাবুয়ে ওপেনার তিনাশে কামুনহুকামুয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ইনিংসের প্রথম ওভারেই। আরেক ওপেনার তাদিওয়ানাশে মারুমানি সেই তাসকিনের বলেই দুবার জীবন পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেননি, ১৩ রান করে আউট হন মেহেদী হাসান মিরাজের বলে বোল্ড হয়ে।

default-image

এরপর দুই অভিজ্ঞ রেজিস চাকাভা ও টেলর জুটি গড়ে রান বাড়াতে থাকেন। সাকিব এসে ২৬ রানে ব্যাট করা চাকাভাকে বোল্ড করলেও টেলরের ব্যাটিং আশা জাগাচ্ছিল। পেসের বিপক্ষে তিনি ছিলেন সাবলীল, স্পিনেও তা-ই। এমন সময় অমার্জনীয় ভুলটা করে বসেন টেলর। ২৫তম ওভারে শরীফুলের বাউন্সার ছেড়ে খেলেছিলেন ঠিকমতোই, কিন্তু এরপর মনের ভুলে নিজের ব্যাট স্টাম্পে টেনে আনেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক!

দুই আম্পায়ার যখন বিষয়টি খতিয়ে দেখতে থার্ড আম্পায়ারের কাছে যান, তখন শরীফুল ও বাংলাদেশ দলের ফিল্ডাররা টেলরের কান্ডে হাসাহাসি করছিলেন। ৫৭ বল খেলে ৪৬ রান করা টেলরকে মাঠ ছাড়তে হয় হিট উইকেট হয়ে।

default-image

শরীফুলের সেই হাসিটা ইনিংসের বাকি সময়ও ছিল দৃশ্যমান। কারণ এরপর আরও তিন উইকেট নিয়ে ছোট্ট ক্যারিয়ারের সেরা বোলিংই করেছেন বাঁহাতি পেসার। গত ম্যাচে ওপেনিংয়ে খেলা তরুণ অলরাউন্ডার ওয়েসলি মাধেভেরে ৫৬ রানের ইনিংস খেলে জিম্বাবুয়ের রান আড়াই শ-তে পৌঁছে দেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। শরীফুল ৪৫তম ওভারে এসে মাধভেরেকে অধিনায়ক তামিমের দারুণ ক্যাচ বানিয়ে ছাড়েন।

চোট থেকে ফেরা অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজাও দ্রুত রান তোলার চেষ্টায় আউট হন ৩০ রান করে। সাইফউদ্দিনের দারুণ বোলিংয়ের শিকার হন তিনি। এরপর জিম্বাবুয়ে ব্যাটিং থেকে লড়াই শব্দটা উধাও হয়ে যায়। ১০ ওভারে ৪৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেওয়া তরুণ বাঁহাতি পেসার শরীফুল ছিলেন বাংলাদেশ দলের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি। ২ উইকেট নিয়েছেন সাকিব।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন