অনুশীলনে হালকা মেজাজে মোস্তাফিজুর রহমান। আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে
অনুশীলনে হালকা মেজাজে মোস্তাফিজুর রহমান। আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামেপ্রথম আলো

পাঁচ বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলে ফেলেছেন মোস্তাফিজুর রহমান। অল্প সময়েই তিন সংস্করণ মিলিয়ে আন্তর্জাতিক উইকেটে প্রায় দু শ উইকেটের মালিক। কিন্তু ২০২০ সালের শুরুতে বিসিবির লাল বলের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে মোস্তাফিজকে রাখেনি বিসিবি। নতুন কোচ রাসেল ডমিঙ্গো দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ছিল তাঁর প্রথম কঠোর সিদ্ধান্ত। দুই-তিন বছর আগের বাংলাদেশ হলেও মোস্তাফিজ শুরুর খ্যাতি দিয়েই তিন সংস্করণের চুক্তিতে থেকে যেতে পারতেন।

তবে মোস্তাফিজের টেস্ট দলে ফেরার দরজা একেবারে বন্ধও করে দেননি ডমিঙ্গো। ইনসুইং রপ্ত করতে পারলেই মোস্তাফিজ দলে ফিরতে পারবেন, ডমিঙ্গো জুড়ে দিয়েছেন এমন শর্ত। মোস্তাফিজেরও ভাগ্য ভালো। নিজের বোলিংয়ে নতুন শক্তি যোগ করার জন্য আদর্শ ব্যক্তিকেই পেয়েছেন তিনি। ওটিস গিবসন বিশ্বের সেরা বোলিং কোচদের একজন। জিমি অ্যান্ডারসন, স্টুয়ার্ট ব্রড, ডেল স্টেইন, কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিডিদের ক্যারিয়ারে বড় ভূমিকা রেখে এসেছে এই ক্যারিবিয়ান কোচ।

বিজ্ঞাপন
default-image

করোনা বিরতির আগে গিবসনের দেখানো নতুন গ্রিপ নিয়ে অনুশীলন শুরু করেন মোস্তাফিজ। মাঝের ছয় মাস জলে গেলেও গত এক মাস ধরে মোস্তাফিজকে নতুন গ্রিপ নিয়ে কাজ করতে দেখা গেছে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম। সিম ধরছেন ডানহাতি ব্যাটসম্যানের লেগ স্লিপ তাক করে। বল ছাড়ার পর বোলিং হাত ঘুরে আসছে ডান কোমর পর্যন্ত। খুব ধারাবাহিক না হলেও ডানহাতিদের প্যাড ও স্টাম্প ধেয়ে আসতে শুরু করেছে কিছু বল।

ভালোভাবে কাজ করতে পারলে ভেতরে ঢোকানোটা তাড়াতাড়ি আয়ত্ত করতে পারব। আমি তো চাই সব সংস্করণেই খেলতে।
মোস্তাফিজুর রহমান
বিজ্ঞাপন
default-image

শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আজ জাতীয় দলের অনুশীলন শেষে মোস্তাফিজ বলছিলেন, ‘করোনার আগে গিবসন আমাকে কিছু গ্রিপ দেখিয়ে দিয়েছিলেন... কী করলে বল ভেতরে ঢুকবে। ওটা নিয়ে কাজ করছিলাম, এখনো ভালোই হচ্ছে। তবে আরও কাজ করতে হবে। ভালোভাবে কাজ করতে পারলে ভেতরে ঢোকানোটা তাড়াতাড়ি আয়ত্ত করতে পারব। আমি তো চাই সব সংস্করণেই খেলতে।’

বিজ্ঞাপন
default-image

গিবসন-রাসেল চাইলে লাল বলের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে না থেকেও টেস্ট খেলে ফেলতে পারেন গত বছরের মার্চে সর্বশেষ টেস্ট খেলা মোস্তাফিজ। শ্রীলঙ্কা সফরটা শেষ পর্যন্ত হলে আবু জায়েদ-ইবাদত হোসেনের সঙ্গে তৃতীয় পেসার হিসেবে মোস্তাফিজ মন্দ হওয়ার কথা নয়। গত ৭ মাস খেলার বাইরে থাকাটাও তাঁর পক্ষে কাজে আসতে পারে। বিসিবির ‘ওয়ার্ক লোড ম্যানেজমেন্টে’ও মোস্তাফিজ এখন ভালো অবস্থানে। চোট প্রবণ এই পেসার অনেক দিন না খেলায় এখন চোটের ঝুঁকি মুক্ত।

মন্তব্য পড়ুন 0