বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবাহনীর রক্ষণভাগকে আজ বড় পরীক্ষা দিতে হবে সানডের কাছে। টুর্নামেন্টে রহমতগঞ্জের ৭ গোলের ৩ টিই এসেছে তাঁর পা থেকে। আজ পুরোনো ক্লাবের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে কী ভাবছেন সানডে? তাঁর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে সানডে বলেন, ‘আমি তো রহমতগঞ্জের হয়ে আরও কয়েকটি ম্যাচ খেলেছি, তখন তো ফোন দিয়ে জানতে চাননি ম্যাচ নিয়ে আমি কী ভাবছি? আসলে এটা অন্য সব ম্যাচগুলোর মতোই। সব ম্যাচেই জিততে চাই। এটাও তাই।’

default-image

তবে সানডে যে আজ নিজের সেরাটা দেবেন, তা জানা আছে আবাহনীর পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমোসের। কাল আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে লেমোস বলেছিলেন , ‘সানডে দারুণ গোল স্কোরার। নিশ্চিতভাবে সে তার সেরা ফুটবল খেলবে।’ শুধু সানডেকে নিয়ে ভাবলেই হচ্ছে না লেমোসকে, ভাবতে হচ্ছে গিনির স্ট্রাইকার ফিলিপ আজাহকে নিয়েও। সানডের সমান ৩ গোল করে ছন্দে আছেন রহমতগঞ্জের এই স্ট্রাইকারও। এক সঙ্গে ভালো মানের দুজন স্ট্রাইকার পাওয়া গেছে বলেই ৪-৪-২ ফরমেশনে জোড়া স্ট্রাইকারে ফুটবল খেলাচ্ছেন রহমতগঞ্জ কোচ সৈয়দ গোলাম জিলানী।

এই কোচের হাত ধরেই ক্লাবটির প্রায় ৮৯ বছরের ইতিহাসে এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফুটবলে ফাইনাল খেলতে যাচ্ছে পুরান ঢাকার ক্লাবটি। ৩ বছরের ব্যবধানে সে দুবারই ফেডারেশন কাপের ফাইনাল। ২০২০ সালে প্রথমবারের মতো ফাইনালে খেলেছিল তারা, সেবার কোয়ার্টার ফাইনালে আবাহনীকে টাইব্রেকারে হারিয়েছিল রহমতগঞ্জ। তবে খুব কাছে গিয়েও শিরোপা ছোঁয়া যায়নি, বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরেছিল তারা।

সেই আরাধ্য ট্রফি ছোঁয়ার লড়াইয়ে দ্বিতীয়বার তাদের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে ফেডারেশন কাপের সর্বাধিক ১১ বারের চ্যাম্পিয়ন আবাহনী। গত ডিসেম্বরে স্বাধীনতা কাপে সর্বশেষ মুখোমুখি লড়াইয়ে আবাহনীর কাছে ৩-১ গোলে হেরেছিল রহমতগঞ্জ। আজ শিরোপার লড়াইয়ে খাতা - কলমে এগিয়ে আছে আবাহনীই। ফেডারেশন কাপের ফাইনাল খেলাটাকে খুব সহজ বানিয়ে ফেলেছে তারা, এবার দিয়ে ১৮ বারের মতো ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে ধানমন্ডির ক্লাবটি।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন