default-image

এই ওভারটন নিয়মিতই ৯০ মাইল বেগে বোলিং করতে পারেন। এবারের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে তাঁর উইকে ২১টি। গড় ২১.৬১। ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো করারই ফল হাতেনাতে পাচ্ছেন ওভারটন। স্টোকস মনে করেন, এই ওভারটন হেডিংলি টেস্টে আলাদা করেই ভূমিকা রাখবেন, ‘আমি বোলিং আক্রমণে বৈচিত্র্য পছন্দ করি। অবশ্য জেমস অ্যান্ডারসন আর জেমি ওভারটন দুজনই ভিন্ন ধরনের বোলার। তবে ওভারটনকে দলে নিলে সবাই দলে একজন গতিময় বোলারকে দেখতে পাবেন। কেবল ওভারটনই নয়, আমাদের জফরা আর্চার, মার্ক উডও আছে। এটা তো সবাই জানে, একটা বোলিং আক্রমণে গতি কী ধরনের ভূমিকা রাখে, বিশেষ করে উইকেট যদি পাটা হয়। ব্যাটিং উপযোগী উইকেটে প্রতিপক্ষের জুটি ভাঙতে গতির বিকল্প নেই।’

বল হাতে শেষ পর্যন্ত কী করতে পারবেন না পারবেন ওভারটন, সেটা পরের ব্যাপার। তবে আজ মাঠে নামলেই একটা রেকর্ডে নাম লেখা হয়ে যাবে ওভারটন পরিবারের। জেমি ওভারটনের যমজ ভাই ক্রেইগ ওভারটনের তো ইংল্যান্ডের হয়ে টেস্টে অভিষেক ২০১৭ সালেই হয়ে গেছে। আজ জেমি ওভারটন মাঠে নামলেই প্রথমবারের মতো ছেলেদের টেস্টে ইংল্যান্ডের জার্সিতে যমজ ভাইদের দুজনেরই খেলার রেকর্ড হয়ে যাবে।

ছেলে ও মেয়েদের ক্রিকেট মিলিয়ে হিসাব করলে অবশ্য যমজদের খেলার রেকর্ড ৩৮ বছর আগেই হয়ে গেছে। ইংল্যান্ডের হয়ে এখন পর্যন্ত যমজ হিসেবে টেস্ট খেলেছেন শুধু দুই বোন জেন ও জিল পাওয়েল। ১৯৭৯ সালে জিল খেলেছিলেন একটি টেস্ট। এরপর ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৭ সালের মধ্যে ছয়টি টেস্ট খেলেন জেন।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন