বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের পারফরম্যান্স

টুর্নামেন্টটা প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হওয়ারই কথা ছিল। প্রতি ম্যাচে একটু একটু করে উন্নতি করাটাই লক্ষ্য ছিল আমাদের, বিভিন্ন কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে সেটা ভালোই করতে পেরেছি। এ পর্যায়ে আসতে পেরে ভালো লাগছে। এখন ইংল্যান্ড-চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুত। সবাই ফিট, এটাও দারুণ ব্যাপার। ছোটখাটো যেসব বিষয় সুযোগ বাড়িয়ে দেবে, সেসব করার চেষ্টা করব। রোমাঞ্চকর একটা টুর্নামেন্টে দুই দলই ভালো খেলছে। আশা করি ভালো একটা ম্যাচ হবে।

বিশ্বমঞ্চে নিউজিল্যান্ডের সাম্প্রতিক সাফল্য

আমরা উন্নতি করতে চাই সব সময়ই। আমাদের জন্য নিজেদের চিন্তাভাবনা ও দলের আবহটাই গুরুত্বপূর্ণ। তবে কোনো কিছুরই গ্যারান্টি নেই। অবশ্যই স্মরণীয় কিছু ম্যাচ খেলেছি। বড় কলেবরে ভেবেছি, সে অনুযায়ী ছোটখাটো পরিবর্তন করেছি। তবে টি-টোয়েন্টিতে যেকোনো কিছুই হতে পারে। এটা রোমাঞ্চকর, আমাদের জন্য উন্নতি করার আরেকটা ধাপ। যে সংস্করণই হোক, আমাদের সবার লক্ষ্যটা একই। এমন একটা দলের অংশ হতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি। দলে অন্য নেতাও আছে। সাপোর্ট স্টাফসহ সবারই সমন্বিত একটা প্রচেষ্টা এটি।

default-image

কারা বদলে দেবেন ম্যাচ

ডেভন কনওয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নতুন হলেও অভিজ্ঞ, স্কিল বিশ্বমানের, দ্রুত মানিয়ে নিয়েছে। নিজের ভূমিকাটা পালন করেছে। ড্যারিল মিচেল ভিন্ন ভিন্ন সংস্করণে দারুণ কিছু করে দেখিয়েছে। এ টুর্নামেন্টে সবাই বিচ্ছিন্নভাবে অনুশীলন করেছে শুরুতে, ড্যারিল টপ অর্ডারে বল পেটানোর সামর্থ্যটা দেখিয়েছে। গাপটিলের সঙ্গে ভালো শুরু এনে দিয়েছে আমাদের। বোল্ট-সাউদি দলের অন্যতম শক্তি। তাদের অভিজ্ঞতা ও স্কিল অনেক, ভিন্ন ভিন্ন উইকেটে মানিয়ে নিতে পারে।

প্রতিপক্ষ যখন ইংল্যান্ড

তাদের বিপক্ষে বেশ কয়েকবারই দারুণ কিছু ম্যাচ খেলেছি। বিশেষ করে সাদা বলের ক্রিকেটে উন্নতি চোখে পড়ার মতো, টি-টোয়েন্টিতেও অনেক অভিজ্ঞ। জানি চ্যালেঞ্জটা কেমন। দূরে থেকে দেখে মনে হচ্ছে, আমাদের মতো তারাও প্রতি ম্যাচ ধরে এগোচ্ছে, উন্নতি করতে চাচ্ছে। তাদের ম্যাচ জেতানো অনেক খেলোয়াড় আছে। ব্যাটিং লাইনআপ লম্বা। তবে দিন শেষে দল হিসেবে কেমন করবেন, সেটাই ব্যাপার। ইংল্যান্ড দলে চোটের আঘাতটা নিশ্চিতভাবেই বাজে। তবে এরপরও তারা খুবই শক্তিশালী দল, নিজেদের সেরা পরিকল্পনা নিয়েই নামতে হবে আমাদের। দুই দলই এ ম্যাচের অপেক্ষা করছে। অনেক দিন পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হচ্ছে, এতে সম্পৃক্ত থাকাটা রোমাঞ্চকর। সেমিফাইনালে এসেছি, আশা করি আরেকটা ম্যাচ খেলতে পারব।

default-image

২০১৯ বিশ্বকাপে লর্ডস ফাইনালের স্মৃতি

শেষ দিকে কিছু ব্যাপার আমাদের পক্ষে না এলেও অসাধারণ ম্যাচ ছিল। হয়তো কোনো নিয়ম, সঙ্গে ফলোটাও বিপক্ষে গেছে। তবে এ ম্যাচে নিজেদের নিবেদনটাই আমাদের কাছে বড়। সবারই আলাদা মত থাকতে পারে, বাউন্ডারি সংখ্যা গণনা বা এমন নাটকীয় নিয়ম নিয়ে। তবে ম্যাচটা দুর্দান্ত ছিল। সে সময় ফলটা মেনে নেওয়া কঠিন হলেও এখন ফিরে তাকালে ভালো স্মৃতিই ভাসে, দারুণ এক অভিজ্ঞতা। দিনের শেষে আপনাকে এগোতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী খেলে পরের চ্যালেঞ্জের দিকে তাকাবেন। দল হিসেবে তারা এগিয়েছে, আমাদের নজর সেদিকে ছিল। এরপর টেস্ট ক্রিকেট, এখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ক্রিকেট থেমে থাকবে না।

সেমিফাইনালে কেন একটা এশিয়ান দল

আইপিএলের মতো লিগের কারণে সব খেলোয়াড়েরই জানাশোনা বেড়েছে, অভিজ্ঞতা বেড়েছে। আইপিএলের দ্বিতীয় ধাপের মতো এ টুর্নামেন্টেও পিচের ধরন যেভাবে বদলেছে, কোনো কোনো দলের পক্ষে গেছে সেটা। হয়তো কেউ ফেবারিট ছিল। তবে নির্দিষ্ট দিনে ভাগ্য আমাদের পক্ষে গেছে, যেকোনো টুর্নামেন্টের ধরনই এমন। এ পর্যন্ত আসতে পেরে নিজেদের ভাগ্যবান মনে করি আমরা, ভালো ক্রিকেট খেলে যেতে চাই।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন