বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টসে জিতে আজও ব্যাটিংই নিয়েছে বাংলাদেশ। শামীম হোসেন ও শরীফুল ইসলামকে বিশ্রাম দিয়ে একাদশে আনা হয় মোসাদ্দেক হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে। দুটি পরিবর্তন আছে অস্ট্রেলিয়া একাদশেও। দলে এসেছেন অ্যাডাম জাম্পা ও নাথান এলিস। বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে অ্যান্ড্রু টাই ও জশ হ্যাজলউডকে। তিন স্পিনার খেলানোর ইঙ্গিত আগেই দিয়ে রেখেছিলেন অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড। তবে অ্যাশটন টার্নারসহ একাদশে আছেন চারজন স্পিনার।

অস্ট্রেলিয়া দলের চেহারা দেখেই কিনা সৌম্যকে ওপেনিং থেকে নামিয়ে আনা হয় চার নম্বরে।

default-image

দুই লেগ স্পিনার জ্যাম্পা ও সোয়েপসনের সঙ্গে বাঁহাতি স্পিনার অ্যাশটন অ্যাগারের বোলিং করার কথা ওই সময়ই। মাঝের ওভারে একজন বাঁহাতি বাড়াতেই আগের তিন ম্যাচে ওপেনিংয়ে নেমে ব্যর্থ হওয়া সৌম্যকে চারে আনা।

সৌম্যর জায়গায় ইনিংস শুরু করতে নেমেই বাউন্ডারি পান মেহেদী। ওপেনিং জুটিতে প্রথম চার ওভারেই নাঈম–মেহেদীর ব্যাট থেকে আসে তিনটি চার ও একটি ছক্কা। বাংলাদেশ ইনিংসের গতিই পাল্টে যায় তাতে।

কিন্তু পঞ্চম ওভারে টার্নারকে পুল করতে গিয়ে ১২ বলে ১৩ রান করে মেহেদী আউট হয়ে গেলে কমে আসে রানের গতি। যে নাঈম প্রথম চার ওভারে খেলেছেন ১২০ স্ট্রাইক রেটে, তিনিও ডট বল খেলে কমাতে থাকেন রানের গতি। এরপর তো ২৩ বলে ২৩ রান করে আউটই হয়ে যান।

default-image

তিনে নেমে সাকিবও ছিলেন না স্বচ্ছন্দ্যে। ১১ রান করে জ্যাম্পার বলে আউট হওয়ার আগে তিনি খেলেছেন ২০ বল।

সৌম্য ও মাহমুদউল্লাহ মাঝে একটি করে ছক্কা মারলে রানের গতি কিছুটা বাড়ে। কিন্তু দুজনই আউট হয়েছেন উইকেটে থিতু হয়ে। নুরুল হাসান, আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেনরা শেষ পাঁচ ওভারে অনেক চেষ্টা করেও পাননি বাউন্ডারি। শেষ পাঁচ ওভারে তাই বাংলাদেশ মাত্র ২০ রানই নিতে পেরেছে। অস্ট্রেলিয়ার ড্যান ক্রিস্টিয়ান ও নাথান এলিস দুটি করে এবং অ্যাগার, জ্যাম্পা ও টার্নার পেয়েছেন একটি করে উইকেট।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন