বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

গতকাল শেষ ৫ ওভারে ৬০ রান দরকার ছিল নিউজিল্যান্ডের। লিয়াম লিভিংস্টোনের দুর্দান্ত এক ওভারে সেটা ৪ ওভারে ৫৭ রানের কঠিন সমীকরণ বনে গিয়েছিল। কিন্তু নিউজিল্যান্ড সেটাই মিলিয়ে ফেলল মাত্র ৩ ওভারেই। স্লগ ওভারে প্রতিপক্ষকে আটকাতে ব্যর্থ হয়েছে ইংল্যান্ড।

কাল ১৭ তম ওভারে ২৩ রান দিয়েছেন ক্রিস জর্ডান। শেষ দুই ওভারে ২০ রান দরকার ছিল নিউজিল্যান্ডের। ১৯তম ওভারে বল করতে এসে হতাশ করেছেন ক্রিস ওকস। রান আটকাতে এসে উল্টো ২০ রান দিয়ে দিয়েছেন এই পেসার।

default-image

ডেইলি মেইলের কলামে নাসের হুসেইন নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন এই বোলিংকে, ‘গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে শেষ দিকের বোলিংই ভুগিয়েছে। যখন শেষ ওভারে বেন স্টোকস চার ছক্কা খেয়েছিল। বুধবার রাতেও সেটাই হয়েছে। ইংল্যান্ড দল এই ব্যাপারেই নিয়মিত ভালো করতে পারছে না।’

শেষ দিকে বোলিং নিয়ে যে ইংল্যান্ড সঠিক পরিকল্পনা করতে পারেনি, সেটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক, ‘পুরো টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ড খাটো লেংথে বল করার চেষ্টা করেছে এবং ব্যাটের স্টিকারে লাগাতে চেয়েছে। এবং তারা ওই পরিকল্পনা নিয়েই খুশি ছিল। কিন্তু ভাগ্য বদলে দেওয়া সেই ওভারে জর্ডান হয় ওয়াইডে বল করেছে না হলে ব্যাটের সামনে ফেলেছে এবং জিমি নিশাম ম্যাচের রূপ বদলে দিয়েছে।’

default-image

কাল ইংল্যান্ডকে এভাবে হয়তো ভুগতে হতো না, যদি টাইমাল মিলস থাকতেন। স্লগ ওভারে বল করার জন্য বিশেষজ্ঞ এই বাঁ হাতি পেসারকে বিশ্বকাপ দলে ডাকাই হয়েছিল এই কাজের জন্য। কিন্তু দারুণভাবে বিশ্বকাপ শুরু করা এই পেসার চোট পেয়ে ছিটকে গিয়েছেন বিশ্বকাপ থেকে। হুসেইনও বিশ্বাস করেন, মিলস থাকলে ম্যাচের ভাগ্য অন্য রকম হতে পারত, ‘ক্রিকেটে একটা পুরোনো সত্য কথা বলা হয়, আপনি যখন দলে থাকেন না, তখনই আপনাকে আরও ভালো মনে হয়। কিন্তু শেষের ওভারগুলোতে টাইমাল মিলসের অভাব আসলেই টের পাওয়া গেছে।’

হুসেইন অবশ্য মানছেন। হারের পর অনেক কিছুই বলা যায়। যেমন মিলসের বদলে আরেক বাঁহাতি পেসারকে খেলানোর কথাটাও এখন তাঁর মাথায় আসছে, ‘এটাও সত্য, এখন বলা খুব সোজা যে জেসন রয় বাদ পড়ার পর ডেভিড উইলিকে খেলানো উচিত ছিল। তাহলে ইংল্যান্ড আরেকজন বোলার পেত, যার কারণে বাঁহাতি বোলারের অ্যাঙ্গেল কাজে লাগত।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন