বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সম্প্রতি তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ধবলধোলাই হয়েছে শ্রীলঙ্কা। এ বছর টি-টোয়েন্টিতে খেলা চারটি সিরিজের মধ্যে তিনটিতেই হারল লঙ্কানরা। এমন পারফরম্যান্সের পর সংবাদমাধ্যমে খবর আসে, ইচ্ছা করে বাজে খেলেছেন শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটাররা। আজ এ অভিযোগের বিপরীতে বিবৃতি দিয়েছে এসএলসি।

default-image

শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বোর্ড বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটদলীয় ম্যানেজমেন্টের কাছ থেকে জাতীয় দলের স্কোয়াডের বিরুদ্ধে এমন কোনো অভিযোগ পায়নি। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট সবাইকে বিনয়ের সঙ্গে জানাতে চায়, শ্রীলঙ্কার এ দলই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল। শুধু সিরিজই জেতেনি, আইসিসির বিশ্বকাপ সুপার লিগে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট পেয়ে পয়েন্ট তালিকায় এগিয়েও গেছে।’

এমন ‘ভিত্তিহীন’ সংবাদ খেলোয়াড়দের ওপর মানসিক আঘাত করে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট, ‘এমন মিথ্যা সংবাদ খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে আঘাত করে। সাম্প্রতিক সময়ে শ্রীলঙ্কা যেসব প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে, সেখানেই দেখা গেছে, খেলোয়াড়েরা ভালো করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, দলে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার ইচ্ছা তাদের প্রবল। সমর্থকেরা এসব জানে। সাম্প্রতিক সময়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ম্যাচ জেতা শ্রীলঙ্কা জাতীয় ক্রিকেট দল ঠিক পথেই এগোচ্ছে।’

default-image

এরপর শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট সংবাদমাধ্যমগুলোকে অনুরোধ জানিয়েছে এভাবে, ‘এ কারণে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট এমন ভিত্তিহীন ও মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করা সব সংবাদ সংস্থাকে তাদের সাংবাদিকতার নীতি অনুসরণ করতে অনুরোধ করছে। এমন মিথ্যা সংবাদ জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ব্যাহত করবে, অস্থিতিশীল করে তুলবে।’

এর আগে গত বছর ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনালে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার ও ম্যানেজমেন্টের বিপক্ষে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ এনেছিলেন দেশটির সাবেক এক ক্রীড়ামন্ত্রী। এরপর তদন্তও শুরু হয়েছিল। সে বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কাকে নেতৃত্ব দেওয়া কুমার সাঙ্গাকারা, নির্বাচক অরবিন্দ ডি সিলভা, ওপেনার উপুল থারাঙ্গাকে ডাকা হয়েছিল তদন্ত কমিটির সামনে। মাহেলা জয়াবর্ধনেকে ডাকা হলেও তিনি হাজির হওয়ার আগেই শেষ পর্যন্ত ম্যাচ পাতানোর কোনো অভিযোগ না পাওয়ার পর তদন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে সেবার স্বাগতিক ভারতের কাছে ফাইনালে হেরেছিল শ্রীলঙ্কা।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন