বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১৬৪ রানের লক্ষ্যে ছোটা শ্রীলঙ্কার হয়ে দাসুন শানাকা ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার ৩৬ বলে ৫৩ রানের ষষ্ঠ উইকেট জুটি দারুণভাবে ম্যাচে ফিরিয়েছিল শ্রীলঙ্কাকে। একটা সময়ে ২০ বলে ৩৫ রান দরকার ছিল শ্রীলঙ্কার।

কিন্তু এরপরই হাসারাঙ্গা ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হয়ে গেলেন। তবু শানাকা তো ছিলেন! কিন্তু তিন বল পর তাঁকে দারুণ রানআউটে ফেরালেন বাটলার! ম্যাচ শেষে ম্যাচসেরার পুরস্কার নিতে এসে বাটলার নিজেই বলছিলেন, ‘রানআউটটাই পুরো দিনে আমার সবচেয়ে প্রিয় অংশ।’ এর আগে শ্রীলঙ্কার উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান পথুম নিশঙ্কার রানআউটেও বাটলারের দারুণ অবদান ছিল।

default-image

কিন্তু উইকেটকিপিং নয়, ব্যাটিং গ্লাভস হাতেই ম্যাচে সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছেন বাটলার। অবদান কী, ইংল্যান্ডের ক্রিকেট ইতিহাসই নতুন করে লিখেছেন। টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি পাওয়ার দিনে হয়ে গেছেন টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—তিন সংস্করণেই সেঞ্চুরি পাওয়া প্রথম ইংলিশ ব্যাটসম্যান।

সেই সেঞ্চুরিটাও এসেছে কী দারুণ ঢঙে! অনেক ধীরগতিতে শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডের, ইনিংসে ৫০ রান আসতেই পেরিয়ে যায় ১০.১ ওভার। ১৪তম ওভারের শেষ বলে বাটলারের অর্ধশতকও এসেছে ৪৫ বল খেলে!

ততক্ষণ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের ইনিংসে চার চারটি, ছক্কা একটি। নিজেই ম্যাচ শেষে বলছিলেন, ‘শুরুতে আসলেই কঠিন লাগছিল সবকিছু। মর্গসের (মরগান) সঙ্গে ভালো একটা জুটি হলো এরপর, আমরা ঠিক করেছিলাম শেষ দিকে মেরে খেলব।’

অর্ধশতক পাওয়ার পরই পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে শুরু করলেন বাটলার। শেষ পর্যন্ত ইনিংস শেষ করেছেন ৬৭ বলে ১০১ রানে, চার ৬টি, ছক্কা ৬টি। শেষ বলে ছক্কা মেরে এসেছে সেঞ্চুরি!

default-image

সে নিয়ে বাটলারের ব্যাখ্যা, ‘অনুমান করার চেষ্টা করছিলাম ও কোথায় বল করতে পারে। শান্তই ছিলাম। অবশ্য ওই সময়ে আমার অনেকক্ষণ ব্যাট করা হয়ে গেছে, তাই শুধু শান্ত থেকে আশা করছিলাম বোলার যেন বলের লাইন মিস করে।’

তা করেছেন লঙ্কান বোলার, বাটলারও মেরেছেন ছক্কা। তাতেই ইতিহাস। ম্যাচসেরার পুরস্কার অর্জনের মুকুটে বাড়তি পালক আর কী!

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন