আইপিএলে বিদেশি কোচের আধিক্য নিয়ে আক্ষেপ কুম্বলের।
আইপিএলে বিদেশি কোচের আধিক্য নিয়ে আক্ষেপ কুম্বলের। ছবি: রয়টার্স

আইপিএলের কারণে নাকি এখন জাতীয় দলের জন্য ভালো কোচ পাওয়া যায় না। এমন হাহাকার ইদানীং বেশ শোনা যায়। অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ডের মতো দেশগুলোর হাইপ্রোফাইল কোচরা এখন কোনো টেস্ট দলের দীর্ঘমেয়াদি দায়িত্বের চেয়ে আইপিএলের কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজির কোচ হতেই বেশি পছন্দ করেন। ঝটপট দায়িত্ব শেষ, অর্থও অনেক। সবচেয়ে বড় কথা জবাবদিহির মাত্রাও অনেক কম।

২০০৮ সাল থেকে আইপিএল ক্রিকেট দুনিয়ার গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন। যদিও এটি ভারতের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি লিগ। কিন্তু এই লিগ ভারতের হলেও এতে বিদেশি খেলোয়াড়, কোচ, কোচিং স্টাফের আধিক্য পৃথিবীর যেকোনো ক্রিকেট লিগের চেয়ে অনেক অনেক বেশি। আর এ ব্যাপারটাই অবাক করছে ভারতের সাবেক কোচ ও অধিনায়ক অনিল কুম্বলেকে। তিনি কিছুটা মজা করেই বলেছেন, ‘লিগটা ভারতীয় হলেও এতে ভারতীয় কোচ তো নেই।’

বিজ্ঞাপন

কুম্বলের কটাক্ষ বোধগম্য কারণেই। এবারের আইপিএলে আট ফ্র্যাঞ্চাইজির সাতটিতেই বিদেশি কোচ। একমাত্র কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের কোচ কুম্বলে। তাঁর কাছে বিষয়টা চ্যালেঞ্জের। আইপিএলে ভারতীয় কোচদের বিজ্ঞাপন বা মুখ যা-ই বলুন না কেন, তিনিই। ভারতীয় কোচদের বাজার সৃষ্টির জন্যও কুম্বলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ

আইপিএলে বেশি করে ভারতীয় কোচের দাবি তুলেছিলেন রাহুল দ্রাবিড়ও। গত বছরই ভারতের জাতীয় ক্রিকেট একাডেমির পরিচালক দ্রাবিড় বলেছিলেন, ভারতে যেমন ক্রিকেট প্রতিভার অভাব নেই, ঠিক তেমনি ভালো কোচেরও অভাব নেই। ভারতীয় কোচদের অনেকেই আইপিএলে বিদেশি কোচদের মতোই প্রভাব রাখতে পারেন বলে মন্তব্য করেছিলেন ভারতের অন্যতম সেরা এই ব্যাটসম্যান।

দ্রাবিড় নিজেও আইপিএলে কোচ হিসেবে কাজ করেছেন অতীতে। তবে হেড কোচের দায়িত্ব তিনি কখনোই পাননি। অথচ, ভারতীয় ‘এ’ দল আর অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচ হিসেবে দ্রাবিড় দারুণ সফল। তাঁকে একবার ভারতীয় ক্রিকেট দলের কোচের চাকরির প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল।

আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হচ্ছে আইপিএল। এবারের আইপিএলে স্টিভেন ফ্লেমিং, রিকি পন্টিং, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, মাহেলা জয়াবর্ধনে, ট্রেভর বেইলিসের মতো সাবেক তারকা ক্রিকেটার ও হাইপ্রোফাইল কোচরা বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজিতে দায়িত্ব পালন করছেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন