বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

দুই ইনিংসে ৭ উইকেট (১ ও ৬) নিয়ে দলকে জেতাতে বড় ভূমিকা রাখা ইবাদত ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতেছেন। ছেলের এই অর্জনে ইবাদতের মা–বাবা তো খুশি হবেনই, ইবাদতের অর্জনে এবং বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে আনন্দে ভাসছে পুরো কাঠালতলী গ্রামই।

ইবাদতের বাবা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ছোটবেলা থেকেই লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলার প্রতি তাঁর ছেলের আলাদা একটা টান ছিল। এমনও হয়েছে যে ইবাদত সারা দিন ক্রিকেট খেলেই কাটিয়ে দিয়েছেন। সেই ছোটবেলা থেকেই বলতেন, একদিন জাতীয় দলের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখেন।

ছয় ভাই ও এক বোনের মধ্যে দ্বিতীয় ইবাদত বিমানবাহিনীতে যোগ দেওয়ার পর ভলিবল খেলতেন। পরে নাম লেখালেন ক্রিকেটে।

বিজিবির সাবেক চাকুরে নিজাম উদ্দিন কাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছেলের খেলা দেখেছি। দেশের জয়ে অনেক আনন্দিত। শুধু আমি নই, আশপাশের লোকজনও খুশি। তার এ সাফল্য আমাদের গর্বিত করেছে। দেশ ও বিমানবাহিনীর গৌরব বাড়িয়েছে।’

মা সামিয়া বেগম চৌধুরী কাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি চার দিন থেকে খেলা দেখছি। রাতের খেলাও দেখেছি। এই জয়ে খুব খুশি হয়েছি। দেশবাসীও খুশি। সবার জন্য দোয়া করছি।’

default-image

সামিয়া বেগম বলেন, আগে তিনি ক্রিকেট খেলা দেখতেন না, বুঝতেনও না। ছেলে ক্রিকেট খেলা শুরু করার পর থেকে এখন নিয়মিতই দেখেন। দেখতে দেখতে এখন খেলা আগের চেয়ে একটু ভালো বোঝেনও। বাংলাদেশের জয়ের পর কাল ছেলের সঙ্গে কথা হয়েছে সামিয়া বেগমের।

ইবাদতের চাচাতো ভাই দেলওয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের এটি এক ঐতিহাসিক জয়। এ জয়ে পুরো দেশের মানুষের মতো আমরাও গর্বিত, আনন্দিত। আমাদের বিশ্বাস ছিল সে (ইবাদত) একদিন দেশের মানুষের আনন্দের উপলক্ষ এনে দিতে পারবে। আজ তার সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।’

ইবাদতের সহপাঠী আমজাদ হোসেন–এমদাদুর রাজ্জাকরা জানালেন, এলাকার বেশির ভাগ মানুষই ইবাদতকে নিয়ে সমাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তাঁরা সবাই আনন্দে ভেসেছেন।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন