বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টি-টোয়েন্টি বাদ দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আইসিসির সভা উপলক্ষে কাল দুবাইয়ে আসা বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, ‘আয়ারল্যান্ড সিরিজের আগে-পরে আমাদের শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হোম সিরিজ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর আছে। সে কারণেই আপাতত শুধু ওয়ানডে সিরিজের সময় বের করা গেছে। টি-টোয়েন্টি সিরিজটি ২০২৩ সালে সুবিধাজনক কোনো সময়ে হতে পারে।’

আয়ারল্যান্ডের চারটি টি-টোয়েন্টি ছাড়াই আইসিসির ভবিষ্যৎ সফর পরিকল্পনা (এফটিপি) অনুযায়ী আগামী অক্টোবর-নভেম্বরের বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ দলের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলার কথা মোট ১৪টি, যার ৯টিই দেশের বাইরে। আগামী জুলাইয়ে অবশ্য শ্রীলঙ্কায় এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি হওয়ার কথা। তবে ওই সময়ে শ্রীলঙ্কায় বৃষ্টির মৌসুম হওয়ায় আবহাওয়ার ওপরই নির্ভর করবে টুর্নামেন্টটির ভবিষ্যৎ।

বিশ্বকাপের আগের এই এক বছরে বাংলাদেশ দেশের বাইরে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলার সুযোগ পাবে মাত্র ছয়টি। সেটাও এবারের বিশ্বকাপে না খেলা জিম্বাবুয়ে (৩টি) ও বাংলাদেশের মতোই খারাপ করা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে (৩টি)। ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি খেলবে আসন্ন পাকিস্তান সফরে তিনটি ও আগামী ফেব্রুয়ারি-মার্চে আফগানিস্তানের বিপক্ষে হোম সিরিজে দুটি। তবে আফগানিস্তান সিরিজটি এখনো নিশ্চিত নয়।

এফটিপি অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বর-জানুয়ারির নিউজিল্যান্ড সফরেও দুটি টেস্টের সঙ্গে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার কথা বাংলাদেশ দলের। কাল এ প্রতিবেদন লেখার সময়ও এফটিপিতে তা–ই দেখাচ্ছিল। যদিও বিসিবি বলছে, এই সফরে কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচ নেই। নিউজিল্যান্ড বোর্ডের সঙ্গে সফর নিয়ে আলোচনার কোনো পর্যায়েই নাকি টি-টোয়েন্টি খেলার কথা হয়নি। তবে দুই টেস্টের পরিবর্তে তিন টেস্ট খেলার প্রস্তাব ছিল নিউজিল্যান্ডের পক্ষ থেকে। বিপিএলের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয় বলে বিসিবি তাতে সাড়া দেয়নি।

তাহলে এফটিপিতে কেন তিনটি টি-টোয়েন্টি দেখাচ্ছে জানতে চাইলে বিসিবির প্রধান নির্বাহী বলেছেন, ‘এ ব্যাপারে আমাদের ধারণা নেই। হয়তো কোনো ভুল হয়ে থাকবে।’ অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলতে পারলে বাংলাদেশ দলের ম্যাচ প্রস্তুতির জন্য সেটা ভালো সুযোগই হতো। ঘরের মাঠের উইকেটে খেলে, এমনকি সিরিজ জিতেও যে বিশ্বকাপে গিয়ে কোনো লাভ হয় না, সেটি তো এই বিশ্বকাপেই বোঝা হয়ে গেছে। বিসিবি তবু বিপিএলকেই আগামী বিশ্বকাপের জন্য বড় প্রস্তুতির সুযোগ মনে করছে।

সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ দলের নিউজিল্যান্ড যাওয়ার কথা আগামী ৯ ডিসেম্বর। সাত দিনের কোয়ারেন্টিন শেষে অনুশীলনের জন্যও সময় পাওয়া যাবে সাত দিন। ২৪ ডিসেম্বর শুরু হওয়ার কথা প্রথম টেস্ট, দ্বিতীয় টেস্ট ১ জানুয়ারি থেকে। নিউজিল্যান্ড থেকে ফিরেই ক্রিকেটাররা খেলতে নামবেন বিপিএলে। ১০ থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে বিপিএল শুরুর পরিকল্পনা বিসিবির। আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই নিউজিল্যান্ড সফরের সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হওয়ার কথা।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন