বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কিন্তু পরের গল্পটা একই রকম। হাল ধরেছেন ‘পঞ্চপাণ্ডব’-এর চার পাণ্ডব—তামিম, সাকিব, মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ। দ্বিতীয় উইকেটে নাজমুলের সঙ্গে তামিমের ৩৭ রানের জুটির অসম্পূর্ণ কাজটা সম্পূর্ণ হয়েছে তৃতীয় উইকেটে সাকিব-তামিমের জুটিতে। ১২১ বলে ৯৩ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে শক্ত ভিত পাইয়ে দেন এ দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। ২৮তম ওভারে জোসেফের শর্ট বলে শট খেলার লোভ সামলাতে না পেরে আউট হন টানা দ্বিতীয় ফিফটি তুলে নেওয়া তামিম। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৮০ বলে ৬৪ রানের ইনিংস খেলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

default-image

পরের দুটি জুটিতে তুলনামূলক দ্রুত রান উঠেছে। মুশফিকের সঙ্গে ৫৬ বলে ৪৮ রানের জুটিতে ফিফটি তুলে নেন সাকিব। আগের ৪৩ রানে অপরাজিত থাকা সাকিব আজ ইনিংস বড় করার চেষ্টা করেছিলেন। তাই খেলেছেন একটু রয়েসয়ে। ৩ চারে ৮১ বলে ৫১ রান করে আউট হন তিনি। ৬২.৯৬ স্ট্রাইক রেট ঠিক সাকিবসুলভ না হলেও দলের ইনিংসের ভিত গড়ায় দারুণ অবদান রাখেন এই অলরাউন্ডার। ৩৭তম ওভারে র‌্যামন রেইফারের বলে সাকিব যখন বোল্ড হন, বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৭৯। ওভারপ্রতি গড়ে প্রায় ৫ করে রানরেট। এখান থেকে দলীয় সংগ্রহ তিন শর ওপাশে নেওয়ার স্বপ্ন দেখা যেতেই পারত।

২ ছক্কা ও ৪ চারে দারুণ এক ইনিংস খেলে মুশফিকুর রহিম সে পথেই এগোচ্ছিলেন। কিন্তু ৪৭তম ওভারে রেইফারকে ইনসাইড আউট খেলতে গিয়ে কভার অঞ্চলের মধ্যে ক্যাচ দেন মুশফিক। ৫৫ বলে ৬৪ রানের দারুণ সময়োচিত এক ইনিংস খেলেন তিনি। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৪ উইকেটে ২৫১। ওই ওভারে দুটি চার মেরে তিন শর স্বপ্ন জিইয়ে রাখেন মাহমুদউল্লাহ। অন্য প্রান্তে ‘সেট’ কাউকে পেলে সম্ভবত তা হয়েও যেত।

default-image

কিন্তু সাতে নামা সৌম্য সরকার মুশফিকের পর ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন এই সিরিজে প্রথমবারের মতো। শেষ ওভারে ২ রান চুরি করতে গিয়ে রানআউট হন সৌম্য (৭)। ওই ওভারের প্রথম বলে হার্ডিংকে ছক্কা মেরে ফিফটি তুলে নেন মাহমুদউল্লাহ। ৩ ছক্কা ও ৩ চারে ৪৩ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। হার্ডিংয়ের শেষ ওভারে ২১ রান তোলায় মাহমুদউল্লাহর দুই ছক্কার সঙ্গে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের এক চার রাখে। শেষ ১০ ওভারে ১০০ রান তুলেছে বাংলাদেশ।

default-image

ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার আকিল হোসেন আজ মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়াতে পারেননি। তাঁকে উইকেট দেয়নি বাংলাদেশ। ২টি করে উইকেট রেইফার ও জোসেফের। ১ উইকেট মায়ার্সের।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন