বিজ্ঞাপন
default-image

কীভাবে ধোনির দল এই পরিবর্তন এনেছে, সেই ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে। চোপড়া ভিডিওতে বলেছেন, ‘চেন্নাইয়ের সবচেয়ে বড় বদল ছক্কা মারার ক্ষমতায়। ২০২০ সালের ব্যাপারে যদি বলি, ওরা শুধু আবুধাবি ও দুবাইয়ে খেলেনি, ওরা শারজাতেও খেলেছে, কিন্তু ছক্কা মারতে পারছিল না। এবার প্রথম দিকে ওয়াংখেড়ের ছোট স্টেডিয়ামে খেলেছে। এরপর দিল্লিতে গেছে। আমরা মনে করেছিলাম, এবার চেন্নাই আটকা পড়ে যাবে, কারণ, এখানে কে ছক্কা মারবে। আমি ভেবেছি এ কারণেই দলটি প্লে অফে উঠবে না।’

চোপড়াকে এখন পর্যন্ত ভুল প্রমাণ করেছে চেন্নাই। এবার সবার আগে অনুশীলনে নেমে পড়েছিল দলটি। গত মৌসুমের ব্যর্থতা ভুলতে দলটা যে বেশ কাজ করেছে, সেটা তাদের খেলায় টের পাওয়া যাচ্ছে। চোপড়া পরিসংখ্যানেই এর প্রতিচ্ছবি খুঁজে পেয়েছেন। রুতুরাজ গায়কোয়াড়, মঈন আলী, সুরেশ রায়না, ফ্যাফ ডু প্লেসিদের ছক্কা মারার ক্ষমতায় মুগ্ধ হয়েছেন, ‘২০২০ সাল নিয়ে যদি বলি, ছক্কা মারার দিক থেকে চেন্নাই দ্বিতীয় নিকৃষ্ট ছিল। ওরা মাত্র ৭৫টা ছক্কা মেরেছে এবং প্রতিচি ছক্কা মারতে ওদের ২২ বল লেগেছে। যেখানে মুম্বাই ইন্ডিয়ানস ১৩৭ ছক্কা মেরেছে। আর মুম্বাইয়ের প্রতি ছক্কা ১৩.২ বলে এসেছে। এ বছর চেন্নাই মাত্র ৭ ম্যাচ খেলেছে আর তাতেই ৬২ ছক্কা। সে ছক্কাগুলোও প্রতি ১৩.১ বলে এসেছে।’

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন