বিজ্ঞাপন

এর পেছনে একটা ব্যবসায়িক দিকও থাকছে। করোনা মহামারির সময়টা খেলাধুলার জন্য খুবই মন্দা। এই তো কিছুদিন আগেই আইপিএল স্থগিত হয়ে গেল করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার কারণে। গত বছর করোনার কারণে মার্চ থেকে দীর্ঘদিন যাবতীয় ক্রিকেট বন্ধ ছিল ভারতে। সেপ্টেম্বরে বাধ্য হয়েই আইপিএল আয়োজন করতে হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে। কিন্তু করোনার এ সময়ে যে আর্থিক ক্ষতি, সেটি এখনো পুষিয়ে উঠতে পারেনি তারা। এবার আইপিএল মাঝপথে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেই আর্থিক ক্ষতির ধাক্কা আরও বেশি মনে হচ্ছে বিসিসিআইয়ের কাছে। হিন্দুস্তান টাইমস জানাচ্ছে, করোনার এ সময় আর্থিক ক্ষতি কিছুটা দূর করতেই এই ‘এক দেশ দুই জাতীয় দল’ তত্ত্ব ব্যবহার করার চেষ্টা করছে ভারত। এর মাধ্যমে সিরিজের সংখ্যা বাড়ানো যাবে। লাভের পরিমাণও এতে কম হবে না।

করোনার পরও যদি এই তত্ত্ব এগিয়ে নেওয়া যায়, ক্রিকেট খেলুড়ে অন্য দেশগুলো যদি এ তত্ত্ব গ্রহণ করে, তাহলে গোটা ক্রিকেট দুনিয়াতেই খেলার পরিমাণ অনেকটাই বাড়ানো সম্ভব হবে। তবে ‘এক দেশ দুই জাতীয় দল’ তত্ত্বের কিছু নেতিবাচক দিকও আছে। ভারত যদি একই সময়ে দুটি ভিন্ন জায়গায় খেলে, তাহলে লজিস্টিকসের দিক দিয়ে কিছুটা বেকায়দায় পড়ে যেতে পারে বিসিসিআই। তবে এতে ব্যবসাটা ভালো হবে বলেই মনে করেন বিসিসিআই কর্তারা।

ভারত অবশ্য দ্বিতীয়বারের মতো একই সময় দুটি জাতীয় দল মাঠে নামাবে। ১৯৯৮ সালে কমনওয়েলথ গেমসে প্রথমবারের মতো (এখনো পর্যন্ত শেষবার) ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। সে সময় কমনওয়েলথ গেমসে একটি আলাদা দল পাঠিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ঠিক একই সময় কানাডায় সাহারা কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলছিলেন আজহারউদ্দিন–টেন্ডুলকাররা।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন